Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

মোদী আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি হবার সুযোগ দেন, মমতা ছুঁতেই ঘেন্না করেন : শুভেন্দু অধিকারী

।। প্রথম কলকাতা।।

আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে তিনি এনডিএ জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ছবি তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে, গত ৮ ই জুন আলিপুরদুয়ারে গণবিবাহের অনুষ্ঠানে আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাচের একটি ভিডিও তুলে ধরেছেন। এবার, তাঁর পোস্ট সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী।

আজ একটি ফেসবুক পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “সম্প্রতি ৮ ই জুন ২০২২ (বুধবার) আলিপুরদুয়ারে একটি গণবিবাহ অনুষ্ঠানে জনজাতি/মূলবাসী সমাজের নৃত্যশিল্পীদের সাথে নাচতে দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মনে হয় যে, জনজাতি/মূলবাসী বোনদের খালি হাতে হাত রাখতে ঘেন্না বোধ করেন মাননীয়া, তাই তাদের গ্লাভস পরতে বাধ্য করা হয়। আর অন্যদিকে ভারতবর্ষের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জী ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটি একজন জনজাতি মহিলার হাতে তুলে দিতে চান। আসলে মানসিকতার পার্থক্য ছিল, আছে ও থাকবে।”

এবার এ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে চাই। প্রান্তিক আদিবাসী জনজাতির মহিলাকে আজকে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হবার সুযোগ পেয়েছে। সেখানে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আপনারা দেখবেন ছবিটাতে ডানদিকে ও বাম দিকে যে দুটো হাত ধরেছিলেন আদিবাসী মহিলাদের, তাদের হাতে গ্লাভস ছিল। আজ অস্পৃশ্যতার দিন শেষ হয়ে গেছে। আমরা সবাই ভারতীয়।”

“অতএব সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটা মুখ্যমন্ত্রীর মানসিকতা, তাঁর রুচিবোধ এটা দিয়ে প্রমাণ হয়ে গেছে। আমি বোঝাতে চেয়েছি, নরেন্দ্র মোদীজীর আমাদের মূলবাসী জনজাতির প্রতি সম্মান ও মানসিকতা এবং আমাদের এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মানসিকতা। যার প্রমাণস্বরূপ সম্মানীয় ভাবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মোদীজির ছবিটা দিয়েছিলাম। শুধুমাত্র ওই দুটি মহিলার হাতে গ্লাভস ছিল। সবার হাতে যদি থাকতো, আমি কিছু বলতাম না। কেবলমাত্র ওই দুটি মহিলার হাতে লাগানো ছিল। যাতে তারা পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাতের ছোঁয়া না পান।”

মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, “এটা আদর্শগতভাবে বালাসাহেব ঠাকরের শিবসেনা হিন্দুত্ববাদের উপরে, রাষ্ট্রবাদের উপরে দাঁড়িয়ে। সেই শিবসেনা যদি এনসিপি, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলায় তাহলে প্রকৃত শিবভক্তরা, বালাসাহেবের ভক্তরা, রাষ্ট্রবাদীরা ওই শক্তির সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারে না। এটা আদর্শবাদের লড়াই। পথ থেকে সরে গেছেন উদ্ভব ঠাকরে। তাই একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে একাধিক বিধায়ক তাঁকে লাল পতাকা দেখিয়ে দিয়েছেন।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories