Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

শক্তি প্রদর্শনের পথে বঙ্গ বিজেপির বিক্ষুব্ধরা, জুলাইয়ে আয়োজিত হবে চিন্তন বৈঠক

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

এ বার শক্তি প্রদর্শনের পথে হাঁটতে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির বিক্ষুব্ধদের একাংশ। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে চিন্তন বৈঠকে বসতে চলেছেন তাঁরা। উদ্যোক্তাদের দাবি, বৈঠকে থাকার কথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, প্রাক্তন রাজ্য সহ-সভাপতি চন্দ্র বসু, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী, এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল, উদ্বাস্তু শাখার প্রাক্তন আহ্বায়ক মোহিত রায়, রাজ্য বিজেপির নীতি-গবেষণা শাখার ইনচার্জ অম্বুজ মহান্তি, সংখ্যালঘু শাখার প্রাক্তন রাজ্য সহ-সভাপতি শামসুর রহমানের।

সূত্রের খবর অনুযায়ী থাকার কথা অভিমানী বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডলেরও। আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে রীতেশ তিওয়ারি, রাহুল সিংহ, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসুদের।এই বৈঠকের পরিকল্পনা স্বীকার করেছেন বিক্ষুব্ধ এক নেতাও। তিনি বলেন, ‘‘অনেক তো চিঠি, মতামত দেওয়া নেওয়া হল, কী লাভ হল? দেখা যাক এ বার যদি সবাই মিলে পাল্টা কোনও পথ বার করা যায়।’’ রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এ ধরনের ঘটনা কাঙ্ক্ষিত নয়। সম্পূর্ণ দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দল নির্দিষ্ট গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টি বিবেচনা করবে।’’

বৈঠকে মূলত তিনটি বিষয়ে আলোচনা হবে। বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফল হওয়ার পরেও কেন তার বিশ্লেষণ হল না? নির্বাচনের পর থেকে যেভাবে লাগাতা। কর্মীদের উপরে আক্রমণ হচ্ছে। সেই নিয়ে নেতারা কেন কর্মীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না? বাংলায় বিজেপির ভবিষ্যৎ কী? সর্বোচ্চ নেতৃত্ব বারবার লড়াইয়ের বার্তা দিলেও কেন আন্দোলনে নামা যাচ্ছে না? এই নিয়ে বৈঠকে যা মতামত উঠে আসবে, তা রিপোর্ট আকারে পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর সাংগঠনিক রদবদলের পরে নতুন রাজ্য কমিটি থেকে বাদ পড়েন দলের একাধিক পুরনো নেতা।তারপরই দিকে দিকে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। বিক্ষুব্ধদের চিহ্নিত করে দলীয় স্তরে শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অনেকে বসে যান। কেউ কেউ দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।

মূলত সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তীকে সরানোর দাবি উঠতে থাকে। এমনকি বিক্ষোভ হয় রাজ্য দফতরের বাইরেও। বিক্ষুব্ধেরা সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষকে একাধিক চিঠিও পাঠান। কিন্তু কিছুতেই কাজ না হওয়ায় এ বার একত্রিত হয়ে সমান্তরাল সাংগঠনিক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিলেন বিক্ষুব্ধেরা।এর মধ্যেই দুধকুমার মণ্ডলের বক্তব্য যে আরও অস্বস্তিতে ফেলেছে গেরুয়া শিবিরকে তা বলাই বাহুল্য। সেদিনই সুকান্ত মজুমদার কড়া ভাবে বলে দিয়েছিলেন দল তার মন্তব্যকে সমর্থন করে না।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories