Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘একসাথে এতগুলো জলহস্তী’, কনীনিকা ছবি পোস্ট করতেই তির্যক মন্তব্য, সপাটে জবাব অভিনেত্রীর

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল (troll) বা সমালোচনা নতুন কোনো বিষয় নয়। বিশেষ করে গ্ল্যামারাস জগতের তারকাদের নিত্যদিনই ট্রোলের সাথে ওঠাবসা। পর্দায় তাঁদের অভিনীত চরিত্রদের নিয়ে হোক কিংবা তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে চরিত্র নিয়ে বিশ্লেষণ, বরাবর নেটনাগরিকদের নিশানায় থেকেছেন একাধিক তারকারা। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি তাঁর পোশাক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।

কিন্তু এই অধিকার কে দিয়েছেন নেটনাগরিকদের বলতে পারেন? কেন সবসময় মেয়েদের পোশাক কিংবা বডি শেমিং হয়ে উঠবে ট্রোলিংয়ের কারণ! কেনই বা এভাবে টার্গেট করা হবে তারকাদের। শুধুমাত্র বাকস্বাধীনতার কারণে? নাকি এরপেছনে রয়েছে মানসিক অসুস্থতা!

বলাই বাহুল্য বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে উঠেছে ‘গার্বেজের আস্তাকুড়’। ঠিক যে ভাবনা নিয়ে আজ থেকে একদশক আগে গড়ে উঠেছিল ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। আজ সেসব উধাও। একে ওপরকে কটাক্ষ, নোংরামি, অশ্লীলতায় ভরে গেছে এই সামাজিক মাধ্যম। যার জন্য দায়ী কিছু শতাংশ নেটনাগরিক। যারা, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু একটা পেলেই শুরু করে দেন নোংরা কটাক্ষ। মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়ে উঠেছে তাঁদের জন্মগত অধিকার।

আর সেই অধিকার বলেই সম্প্রতি অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক নিয়ে করেছেন কুরুচিকর মন্তব্য। প্রসঙ্গত সদ্য মেয়ে এবং বান্ধবীদের সাথে গোপালপুর ঘুরতে গিয়েছেন কনীনিকা। সেখানেই গোপালপুরের সমুদ্রে সুইমিং কস্টিউম পড়ে ছবি পোস্ট করেন এই অভিনেত্রী। আর সেই ছবি সামনে আসতেই ‘একসাথে এতগুলো জলহস্তী’, ‘দৈত্য’, ‘এদের জন্য আজ দেশের এমন অবস্থা’, ‘সব কটা মোটা’, ‘টিভিতে দেখে তো ভালোই লাগে ছি! এখন ঘেন্না করতেও কষ্ট লাগে’ সহ একাধিক নোংরা মন্তব্যে ভরে যায় কমেন্ট সেকশন।

তবে চুপচাপ তা সহ্য করেননি অভিনেত্রী। নেট নাগরিকদের একাংশের করা মন্তব্যের যোগ্য জবাব দিয়েছেন কনীনিকা। এ বিষয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কি হাসি পাচ্ছে কিছু অশিক্ষিত মানুষ কে দেখে, যারা লুকিয়ে সব করেন, নাইটি আর সায়া পরে সমুদ্রে নামে, সভ্যতার মুখোশ পড়ে আমাদের মধ্যে ঘুরে বেড়ায়, এরাই হল তারা যারা কথা বলার সময় মহিলাদের বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। ধিক্বার, সমুদ্র দেখলো না দেখল শুধু চেহারা। অশিক্ষিত বলা ভুল। এরা হলো সেই খরগোশ যারা সবকিছু করে আর ভাবে কেউ দেখছে না।’

একই সাথে অভিনেত্রী নিজের মতো করে প্রত্যেক কমেন্টের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আদতে এদের উত্তর দিয়ে কোনও লাভ আছে কি! কারণ গবেষণা বলে এরা ‘মানসিক ভাবে অসুস্থ’। কারণ যাই হোক না কেন এরা নিজেদের নেতিবাচক মন্তব্য না করে থাকতে পারেন না। যা সমাজকে প্রভাবিত করে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories