Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘সংবিধান উপেক্ষিত হলে সম্মতি দেব না’, আচার্য বিল প্রসঙ্গে মন্তব্য রাজ্যপালের

।। প্রথম কলকাতা।।

রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বহাল করতে বিধানসভায় ইতিমধ্যেই পাস হয়েছে আচার্য বিল। তবে, বিলটি আইনে পরিণত করতে হলে রাজ্যপালের সম্মতির প্রয়োজন হবে। আবার, রাজ্যপাল প্রয়োজন মনে করলে বিলটিকে কেন্দ্রের কাছে পাঠাতে পারবেন। এবার আচার্য বিল প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। তাঁর প্রশ্ন, নিয়োগ দুর্নীতি বাদ দিয়ে আচার্য পদ নিয়ে কেন এতটা তৎপর সরকার?

আজ রাজভবনে সাংবাদিক বৈঠকে আচার্য বিল নিয়ে একাধিক বক্তব্য রেখেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যপাল জানান, “বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সংক্রান্ত বিলটি আমি আইনের দৃষ্টিতে দেখছি। যা করার তা আইনিভাবে করব। রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছে এই প্রশাসন।”

“বিধানসভায় বিল এনে আমাকে আচার্য পদ থেকে সরানো হচ্ছে। বিলটি আমি খতিয়ে দেখব। কোনো পক্ষপাতিত্ব করবো না। দেখব, সংবিধানকে উপেক্ষা করে এই বিল আনা হয়েছে কিনা? যদি সংবিধানকে উপেক্ষা করা হয়, তাহলে এই বিলে আমি সম্মতি দেব না। মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।” এরপর, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একের পর এক তোপ দাগেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল জানান, “এত বড় নিয়োগ দুর্নীতি আগে দেখিনি। মাফিয়া আর সিন্ডিকেট রাজ চলছে। যাদের চাকরি দেওয়া হচ্ছে, তারা কোনদিন পরীক্ষাই দেয় নি। সেসব বাদ দিয়ে আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে অপসারণের তৎপরতা চলছে।”

এরপর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যপালের বক্তব্য, “বাংলার গণতন্ত্র শেষ নিঃশ্বাস নিচ্ছে। সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে। কীভাবে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হচ্ছে। যারা ভাঙছে, তারা ভারতীয় নয়। রাজ্যের গণতন্ত্র ধুঁকছে। প্রশাসন ব্যবস্থা নিক।” আবার, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে রাজ্যপাল জানান, “রাজ্যে হিংসার ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা চলছে। রাজ্য সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গণতন্ত্রে হিংসার কোন স্থান নেই।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories