Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘রাজনীতি থেকে অবসর নেব’, হঠাৎ কেন বলে উঠলেন শুভেন্দু ?

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

আজ বিধানসভায় একাধিক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার মধ্যে অন্যতম ছিল নিয়োগ দুর্নীতি। নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আবার নাম না করেও তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ যদি প্রমাণ করে দিতে পারেন, তবে রাজনীতি থেকে তিনি অবসর নেবেন।

আজ বিধানসভায় সরাসরি নাম না করেও শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ছেলেগুলোর চাকরি চলে গেলে, যাঁদের চাকরি দাদামণি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে? মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, পুরুলিয়ায় যাঁদের চাকরি দিয়েছেন, তাঁদের কী হবে? পুরুলিয়ার চাকরি, মেদিনীপুরে নিয়ে গিয়েছিল, আমরা জানি দাদামণি জবাব দেবেন?” এর জবাবে শুভেন্দু অধিকারী জানান,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো টাকা তুলেছেন।”

“ভানুয়াটুতে থাকা বিনয় মিশ্র, প্রতীক দেওয়ান, বাগুইআটির দেবরাজ, অখিল গিরির ছেলেকে দিয়ে টাকা তুলেছে। সেই টাকাতে নিয়োগ হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেদিন শিক্ষামন্ত্রী হন ২০১৩ সালে, সেদিন থেকে যতদিন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, আমি তৃণমূলে যতদিন ছিলাম, একটা চাকরি তো দূরের কথা, ট্রানস্ফার তো দূরের কথা, আমার বিধানসভার এলাকা নন্দীগ্রামে কোন স্কুলের একটা ব্ল্যাকবোর্ড পর্যন্ত চাইনি। আর যদি প্রমাণ করে দিতে পারেন, তবে রাজনীতি থেকে আমি অবসর গ্রহণ করব।”

আবার, তাঁকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “সরকারে থেকেও করে খাবেন, বিজেপিতেও করে খাবেন? ” এর উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী জানান, “আমি ছিলাম বলে উনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সিঙ্গুর থেকে তুলে সেকেন্ড ব্রিজে ছেড়ে দিয়ে গিয়েছিলাম। কাঁদতে কাঁদতে গান্ধী মূর্তির নিচে বসেছিলেন। ওখানে ছুটে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজনাথ সিংরা। আমি নন্দীগ্রাম করেছিলাম বলে, সামনে থেকে লড়েছিলাম বলে ২০০৮ এর পঞ্চায়েতের পরে উনি আবার সিঙ্গুরে গিয়ে ১৬ দিন বসে টাটার তৈরি করা কারখানা বাংলা থেকে তুলে গুজরাটে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এজন্য লোকেরা বলে, ‘এ রাজ্যের নেত্রী বটে, শিল্প ভাগান গুজরাটে।'”

আবার, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন “কারও চাকরি খেতে দেব না। সব সমস্যার সমাধান করে দেব।” এ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “যারা পরীক্ষা দেন নি। আত্মীয়কে ঢুকিয়েছেন, আদালত যে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে। পরীক্ষায় অকৃতকার্য, টেট পাস করেন নি, তাদের কে চাকরি দিয়েছেন? সেই চাকরি গুলো বাতিল হচ্ছে। সকলের চাকরি যাবে কেন। অঙ্কিতা অধিকারী কিভাবে চাকরি পেয়েছেন? পরেশ অধিকারী যতদিন ফরওয়ার্ড ব্লকে ছিলেন, ততদিন চাকরি পাননি। যখন তিনি তৃণমূলে এলেন, মেয়ে চাকরি পেলেন। এই ডিলের পেছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্ত।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories