Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘ওপেন সিক্রেট, সৌগত রায়ের বয়স হয়েছে মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন’, কটাক্ষ সুকান্তের

।। প্রথম কলকাতা ।।

কেকের অনুষ্ঠানের এত টাকা কোথা থেকে এসেছিল? বরানগরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক কর্মসূচিতে দাঁড়িয়ে এমনই প্রশ্ন রেখেছেন সৌগত রায়। তাঁর কথায়, “কেকে গান গাইতে এসে মারা গেলেন। আমি শুধু ভাবি যে, এত টাকা কোথা থেকে এল! ৩০ লাখ না ৫০ লাখ কত যেন লেগেছে শুনলাম! টাকা তো হাওয়া থেকে আসে না। সৌগত রায়ের এই বক্তব্য ঝড় তুলে দেয় রাজ্য রাজনীতিতে। এতদিন ধরে যে কথা বলে আসছেন বিরোধীরা, এবার সে কথাই বলতে শোনা যায় সৌগত রায়কে। সৌগত রায়ের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে পাল্টা বক্তব্য রাখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সৌগত রায়ের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, “এটাতো ওপেন সিক্রেট। কীভাবে ছাত্র সংসদ কাজ করে? বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র ভর্তির নামে….। বহুদিন নির্বাচন করা হয়নি যাতে তৃণমূল কংগ্রেসের দাদারা যেন ছাত্র ভর্তির নামে পয়সা তুলতে পারে। সেজন্য ছাত্রভোট নিয়ে, ছাত্র সংসদের ভোট নিয়ে কলকাতার বুকে গুলি চলতে, মৃত্যু হতে দেখা গেছে। এটা একটা বড় ব্যবসা, তোলাবাজির ব্যবসা। যা তৃণমূল কংগ্রেস করে। ওপেন সিক্রেট। এতদিন পর সৌগত রায়ের মনে হয়েছে, বয়স হয়েছে এত পাপ করা ঠিক নয়। তাই হয়তো মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন।” আবার, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমের ত্রিপুরা সফর প্রসঙ্গে তিনি জানান, “যান গিয়ে মা ত্রিপুরেশ্বরীর মন্দিরে পুজো দিয়ে আসুন। অনেক পাপ করেছেন, পাপ স্খলন হবে।”

অগ্নিবীর প্রকল্প নিয়ে হিংসা, বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “বিরোধী দল যারা বিভিন্ন সংস্থার দ্বারা এই কাজগুলো করায়। এর পেছনে একটা বড় চক্র আছে। ভারত বিরোধী শক্তি আছে যারা এগুলো করাচ্ছে। ভারতীয় সেনা এই মুহূর্তে যৌবনের অভাবে ভুগছে। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞর সঙ্গে কথা বলে এটা চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মনে হয়েছে বলে চালু করা হয়েছে বা বিজেপি সরকারের মনে হয়েছে বলে চালু করা হয়েছে, এমনটাও কিন্তু নয়। প্রয়াত সিডিএস বিপিন রাওয়াত থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দীর্ঘদিন আলোচনার পর যে নির্যাস বেরিয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

“ভারতবর্ষকে যে সমস্ত শক্তি দুর্বল করতে চায়, তারা এই কাজ করাচ্ছে। এর ফলে কোন পদের অবলুপ্তি হচ্ছে না, আগে যা পদ ছিল, সেই পদ থাকছে, উল্টে চার বছরের জন্য আরও বেশি লোক দেশসেবা করার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে ট্রেনিং এর ফলে পাওয়া সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন রাজ্য সরকারের পুলিশ ব্যাটেলিয়ান, আধা সামরিক বাহিনীতে অগ্রাধিকার পাবেন। তাদেরকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যারা রাস্তায় বসে আছেন, তারা কী করছেন? নিজেরা বলতে পারছেন না। “

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories