Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলালে দেওয়া হবে না অর্থ, রাজ্যকে স্পষ্ট করল কেন্দ্র

।। প্রথম কলকাতা।।

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করে রাজ্যের নামে চালাবার অভিযোগ বারবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তুলতে দেখা গেছে বিজেপিকে। ইতিপূর্বে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়নের জন্য রাজ্যকে যে টাকা দেয় কেন্দ্র, রাজ্য নিজের ইচ্ছামত সেই প্রকল্পের নাম বদল করে, তাকে রাজ্যের প্রকল্প হিসেবে চালিয়ে এসেছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি পর্যন্ত দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রকে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবাস যোজনাতে প্রধানমন্ত্রীর নাম যুক্ত না করলে এই প্রকল্পের টাকা পাঠাবে না কেন্দ্র।

বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে যে, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করে নিজের নামে চালাচ্ছে রাজ্য সরকার, ভুল বোঝাচ্ছে মানুষকে। বিষয়টি নিয়ে একদিকে যেমন সুকান্ত মজুমদার সরব হয়েছেন, অন্যদিকে তেমনি সরব হতে দেখা গেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, স্বচ্ছ ভারত, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদল করে নিজেদের নামে চালিয়েছে তৃণমূল। এই তিনটি প্রকল্পের নাম বদলে তৃণমূল করেছে বাংলা আবাস যোজনা, মিশন নির্মল বাংলা, বাংলা গ্রামীণ সড়ক যোজনা। যা সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা।

আবার, সম্প্রতি তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সেখানে আবাস যোজনার টাকা কেন আটকে রাখা হয়েছে? সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর এরপরই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে নবান্নকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প রাজ্যে চালানোর জন্য যে নিয়মগুলি রয়েছে, সেখানে কখনোই নামবদলের কথা বলা নেই। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম বদলে দিয়ে নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম যদি যুক্ত করা না হয়, তবে এই প্রকল্পের টাকা পাঠাবে না কেন্দ্র।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম বাংলা আবাস যোজনা করায় ইতিপূর্বেই গত ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে রাজ্যকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপর চলতি বছরের ১২ ই মে আবার রাজ্যকে আবার চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও রাজ্যের পক্ষ থেকে কোনো সদর্থক পদক্ষেপ বা কোনো জবাব না পেয়ে এবার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories