Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘জনমত সরকারের দিকে গেলেই বিরোধীরা ভুল বোঝাতে শুরু করে’, অগ্নিপথ প্রসঙ্গে মন্তব্য রুদ্রনীলের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

অগ্নিপথ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ যেন কিছুতেই থামবার নয়। দেশজুড়ে জ্বলছে বিক্ষোভের আগুন। স্টেশনে ভাঙচুর চলছে, ট্রেনে আগুন ধরানো হচ্ছে, কোথাও বিক্ষোভের নামে লুটপাটের ঘটনাও দেখা গেছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বারবার নতুন সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে অগ্নিবীরদের জন্য। কিন্তু এরপরও যেন বিদ্রোহের আগুন কিছুতেই থামছে না। কী কারনে এত বিতর্ক অগ্নিপথকে নিয়ে? এবার এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে কথা বললেন প্রথম কলকাতার প্রতিনিধি মৃত্যুঞ্জয় দাস।

অগ্নিপথ নিয়ে আন্দোলন প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষ জানান, “বিষয়টি রাজনৈতিক। বিরোধীপক্ষকে সারাক্ষণ একটা স্ট্যান্ড নিতে হয়। যদি তাঁরা কোন প্রকল্প বা কোন কাজের মধ্যে দেখতে পায় যে, তাঁদের বিরোধী সরকারের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, সহানুভূতি, বা যে দায়িত্ব প্রত্যাশা করে মানুষ, সেটা সেই সরকার করে ফেলছে, জনমত সেই রাজনৈতিক দল বা সরকারের দিকে চলে যাচ্ছে, তখন তাঁরা একটা অন্যরকম বন্দোবস্ত করার চেষ্টা করেন। মানুষকে ভুল বোঝাবার চেষ্টা করেন।”

তাঁর কথায়,”আমাদের দেশ ধনী দেশ নয়। বিভিন্ন উপায়ে সরকার চেষ্টা করে বিভিন্ন রকম কর্মসংস্কৃতি তৈরি করতে। যেভাবে ভারতবর্ষের একাত্মবোধের বিপক্ষে মাথাচাড়া দিচ্ছে কিছু বাইরের শক্তি, আমাদের দেশের মধ্যে থাকো কিছু লোকজন, কিছু সংগঠন বাইরের এই ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির সঙ্গে রাজনৈতিক কারণে লুকিয়ে-চুরিয়ে যোগাযোগ রাখছেন বা সাহায্য করছেন। আমাদের সাধারন সেনাবাহিনী রয়েছে তার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু লোকজনের দরকার রয়েছে। আর আমাদের দেশের যুবসমাজের জন্য যেকোন উপায়ে আমাদের একটা কাজ বা জীবিকা তৈরি করতে হবে।”

“যখন দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার কোন একটা জীবিকার উপায় বার করে ফেলেছেন এবং যারা বেকার যুবক রয়েছেন তাদেরকে কিছুটা পরিমাণ স্বস্তির জায়গায় এসেছে, ঠিক সেইসময় বিরোধীরা এসব উস্কানিমূলক ঘটনা শুরু করেছেন। এটা রাজনৈতিক প্ররোচনামূলক ঘটনা। কিন্তু আমার যে যুবক বন্ধুবান্ধব রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, তাদের যদি প্রশ্ন করি আপনি যখন সিভিক ভলেন্টিয়ার হয়েছেন, আপনার বাড়ির ছেলেরা সিভিক ভলেন্টিয়ার হয়েছিলেন ঠিকমতো ট্রেনিং ছাড়া, তখন সমালোচনা হয় নি? কিন্তু এখানে ট্রেনিং হচ্ছে, প্রতি চারজনের মধ্যে একজন সেনাবাহিনীতে সরাসরি যাবার যোগ্য হবেন। অন্য যারা ট্রেনিং করবেন, তাদের কাছে শংসাপত্র থাকলে তারা নিজের অন্য যে কোনো কাজ বা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। তাদের ভালো স্টাইফেন দেওয়া হচ্ছে।”

“এটা যাতে মানুষের কাছে পৌঁছাতে না পারে, ভুলভ্রান্তি তৈরি করতে কিছু দল মিলে একটা প্রোগ্রাম, ঘটনা তৈরি করছে। পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা যেকোন ভাবে হোক না কেন বালি চুরি, কয়লা, কাটমানি এগুলোতে জড়িয়ে না যাক। একদিনের জন্যও যেন সৎ রাস্তায় তারা জীবিকা নির্বাহ করে। এখানেই আপত্তি রয়েছে বিরোধীদের। তারা চান, যুবকেরা বাঁকা পথে আসুক। যে সরকার উপকার করার চেষ্টা করছে, তাদের তাদের দিকে মানুষ চলে গেলে ভুল বোঝাবার থাকবে না। আমি যুব বন্ধু-বান্ধবদের বিরত থাকতে বলবো।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories