Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

চতুর্মাসে বিষ্ণু যাবেন যোগনিদ্রায় ! এই সময় ভুলেও এই কাজ করবেন না, পড়বেন মহা ফাঁপরে

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

হিন্দু ধর্মের চতুর্মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়কে তপস্যার মরসুম বলা হয়। পুরাণ অনুযায়ী এই চতুর্মাসে যোগনিদ্রায় থাকেন ভগবান বিষ্ণু। তারপর একাদশীর দিন তাঁর ঘুম ভাঙে । এই সময়কে ঘিরে নানান ধরনের প্রচলিত বিশ্বাস আজও রয়েছে, যা মনেপ্রাণে অনেকেই মেনে চলেন। পুরাণ অনুযায়ী, এই চতুর্মাস আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী থেকে কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথি পর্যন্ত চলে। ইতিমধ্যেই আষাঢ় মাস শুরু হয়ে গিয়েছে।

মনে করা হয়, এই সময় যেহেতু বিষ্ণু যোগনিদ্রায় থাকেন তাই সারা পৃথিবীতে থাকে অন্ধকার এবং দুঃখ। আসলে এই সময় ভগবান বিষ্ণুও অত্যন্ত ক্লান্ত থাকেন। প্রায় কয়েক হাজার বছর ধরে চলা শঙ্খচূড়ের সঙ্গে দেবতাদের যুদ্ধে তিনি ক্লান্ত হয়ে যোগনিদ্রায় যান এবং সমস্ত দায়িত্ব হস্তান্তর করেন তাঁর অবতারদের। তিনি চার মাস বিশ্রাম নেন ক্ষীরসাগরে। অপরদিকে পৃথিবীর সমস্ত দায়িত্ব এসে পড়ে ভগবান শিবের উপর।

প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী , যেহেতু এই চার মাস পৃথিবীতে ভগবান বিষ্ণু থাকেন না তাই বেশ কিছু কাজ এড়িয়ে চলা ভালো । না হলে নানান ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

•এই চার মাস খাবার খাওয়ার সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকুন । মনে করা হয় ,এই কাজ করলে ব্যক্তি জীবনে যন্ত্রণা এবং বেদনার বোঝা বাড়তে থাকে।

•এই চতুর্মাসে বেশ কিছু খাবার নিষিদ্ধ বলে মনে করা হয়, যেমন মধু, মুলো, বেগুন, শাক প্রভৃতি। এই সময় এই জিনিসগুলি খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

•এই চার মাসে কোন শুভ কাজ করা যায় না যেমন বিবাহ,তিলক, গৃহপ্রবেশ, মুন্ডন প্রভৃতি । এই সময় শুভ কাজ করলে সেই অনুযায়ী ফল পাওয়া যায় না।

•চতুর্মাস চলাকালীন বিষ্ণু ভক্তদের ব্রহ্মচর্য মেনে চলা উচিত এবং এই সময় অনেকেই মাটিতে শয়ন করেন এবং নির্জনে থাকতে পছন্দ করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী , এর ফলে ব্যক্তি জীবনে অর্থের অভাব দূর হয়।

•এছাড়া এই সময় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা হয়। পুরাণ অনুযায়ী , এই চতুর্মাসে যে সমস্ত সাধুরা নানান জায়গায় ভ্রমণ করতেন তাঁর ওই সময় সেই কাজ থেকে বিরত থাকতেন। চার মাস পর যখন বসুন্ধরার শস্য-শ্যামলা হয়ে ওঠে তখনই আবার আগের মত সমস্ত কাজ শুরু হয়।

উপরিউক্ত এই নিয়ম গুলি মূলত প্রচলিত বিশ্বাস এবং ধ্যান-ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু বৈজ্ঞানিক যুক্তি জড়িয়ে নেই, তাই এই নিয়ম গুলি মানা বা না মানা ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাপার।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories