Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

শহিদ মিনারে SLST চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না, অবস্থান তুলতে তৎপর পুলিশ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

রাজ্যে একদিকে নিয়োগে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি আর অন্যদিকে নিয়োগ না করার প্রতিবাদে একের পর এক বিক্ষোভ হয়ে চলেছে। শহর কলকাতায় এই বিক্ষোভের চিত্র আর একেবারেই নতুন নয় । বিগত ৭০ দিন ধরে এস এল এস টি চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগের দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান বিক্ষোভ করে চলেছেন। কর্মশিক্ষা, শরীরশিক্ষা বিভাগের চাকরিপ্রার্থীদের দাবি তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হোক । আর যতক্ষণ না পর্যন্ত নিয়োগপত্র তাঁরা হাতে পাচ্ছেন ততক্ষণ এই অবস্থান-বিক্ষোভ তাদের চলবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সেই অবস্থান জোরপূর্বক তুলতে এলে রীতিমত ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সেখানে।

জানা যায়, টানা ৭০ দিন ধরে তাঁরা এই অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন । পুলিশের তরফ থেকে তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল যে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে এই অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নিতে হবে কিন্তু এদিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁরা তাদের অবস্থান-বিক্ষোভ তুলে নিতে রাজি হননি। তারপরও পুলিশ তাদেরকে আধঘন্টা সময় দেন । কিন্তু তাতেও বিশেষ কোনো লাভ হয়নি । অবশেষে পুলিকে বাধ্য হয়ে শহিদ মিনারের কাছ থেকে বিক্ষোভকারীদের টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যেতে হয়। মহিলা চাকরিপ্রার্থীদের সেখান থেকে সরানোর জন্য হাত লাগান মহিলা পুলিশ কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানকার পরিস্থিতি রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মঞ্চ তৈরি করেছিলেন এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীরা। তাদের দাবি , তাদেরকে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। অবিলম্বে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার জন্য ৭০ দিন আগে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত তাদের এই বিক্ষোভ চলছে। অবশেষে পুলিশ আজ বিকেলে সেই বিক্ষোভ মঞ্চ একেবারে ভেঙে দেন । এক এক করে সকল বিক্ষোভকারী চাকরিপ্রার্থীদেরকে রীতিমত চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় প্রিজন ভ্যানে।

শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এই চাকরিপ্রার্থীরা লাগাতার ৭০ দিন ধরে ছাউনি তৈরি করে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান-বিক্ষোভ করছিলেন। তাদের একটি মাত্র দাবি, ১৬০০ নিয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। সেই জায়গায় শুধুমাত্র অপেক্ষা নিয়োগপত্রের। এমনকি বেশ কিছু বিক্ষোভকারী তাদের ছেলেমেয়েদেরকেও সঙ্গে করে এই বিক্ষোভ মঞ্চে এনেছিলেন বলে জানা যায়। গার্ড রেল দিয়ে পুরো জায়গাটিকে ঘিরে রেখেছিলেন তাঁরা । অবশেষে পুলিশ সেই সমস্ত ছাউনি ভেঙে বলপূর্বক তুলে নিয়ে যান বিক্ষোভকারীদের।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories