Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কলকাতায় ফিরে দক্ষিণেশ্বরে মমতা, পুজো দিয়ে উদ্বোধন করলেন মিউজিয়াম-থ্রি ডি লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো’র

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ফিরেই দক্ষিণেশ্বরে গেলেন মমতা। মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন এবং একই সঙ্গে উদ্বোধন করলেন মিউজিয়াম এবং থ্রি ডি লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শোয়েরও।এর আগে যখন দক্ষিণেশ্বরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখনই তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন যাতে এখানে মিউজিয়াম এবং লাইট সাউন্ড শোয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

এবার সেই ইচ্ছেই সত্যি হল তার। এদিন গর্ভগৃহে গিয়ে মায়ের কাছে পুজো দেন মমতা। দীর্ঘ ক্ষণ মন্দিরে ছিলেন মমতা। এদিন যে সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল তাতে উপস্থিত ছিলেন অদিতি মুন্সী।এদিন বক্তব্য রাখার সময় একাধিক বিষয়ে কেন্দ্রকে কটাক্ষ করেন মমতা। রাজ্যের প্রকল্পের নাম বদলে দিচ্ছে কেন্দ্র এমন অভিযোগ তোলেন মমতা। কেন্দ্রের কাছে যে অনেক টাকা বকেয়া সেটাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন এদিন যে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শোয়ের আয়োজন হয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। মমতা বলেন যে অনেক ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই কিন্তু এই শোয়ের মধ্যে দিয়ে খুব অল্প সময়েই সেটা সবাই জেনে নিতে পারবেন।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্কাইওয়াক করার জন্য অনেকগুলি মিটিং করতে হয়েছিল। প্রথমে অনেকে রাজিই হচ্ছিলেন না। কারণ, হকারদের দোকান ছিল। কোর্ট কেসও হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু অতিক্রম করে আমরা কাজটা করতে পেরেছি’।

তিনি আরও জানান, ‘কালীঘাটে ৩০০ কোটি টাকা খরচ করে স্কাইওয়াক তৈরি করছি। বাংলাই একমাত্র রাজ্য যেখানে ২ টো হেরিটেজ শহর। কোচবিহার আর নবদ্বীপ। গঙ্গসাগর ও তারাপীঠেও উন্নয়ন হয়েছে। বাংলা কারও ভিক্ষা চাই না’।এদিন মমতা বললেন, ”রামকৃষ্ণদেব বলে গিয়েছেন টাকা মাটি, মাটি টাকা। তার মানে কী? প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু চাওয়া ঠিক নয়। কিন্তু এখন সকলের সব কিছু বেশি বেশি করে চাই। দরকার কী? যাতে সব মিটে যায়, তারপরও অতিরিক্ত চাওয়ার তো কিছু নেই।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রামকৃষ্ণদেবের বাণী উল্লেখ করে বিজেপিকেও সুকৌশলে বিঁধলেন তিনি। নাম না করেই তার মন্তব্য, ”যারা এসব বলে, তাঁদের মাথা জঞ্জালে ভরতি।”এদিন মুখ্যমন্ত্রী উচ্চমাধ্যমিকের অনুত্তীর্ণদের বিক্ষোভ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “এগুলো কী হচ্ছে? এখানে বিক্ষোভ ওখানে বিক্ষোভ।” তারপর তিনি বলেন, “আমি বলছি না যে বিক্ষোভ করা যাবে না। তাই বলে উচ্চমাধ্যমিকে পাশ করতে পারিনি বলে বিক্ষোভ! আমাদের সময়ে এসব ভাবতেও পারতাম না।”

মমতার কথায়, এটা পড়ুয়াদের দোষ নয়, যাঁরা তাদের গাইড করছেন তাঁদের দোষ। এরপরই রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, কাজী নজরুল-সহ অন্যান্যদের বই পড়ার কথা বলেন তিনি।এদিন দক্ষিণেশ্বরের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক মদন মিত্র, সুজিত বসু, তাপস রায়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মমতার কথায়, ‘ঐতিহ্য, ইতিহাস, ধর্মচর্চা সব দিক থেকে এই মুহূর্তে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের যা অবস্থান, তা আন্তর্জাতিক মানের। অনেক কাজ হয়েছে এখানে। আরও হবে। অতিথিশালা,  আমি চাই, সকলে আসুন, ঘুরে যান’।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories