Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশে ছুটবে পাতাল রেল ! রেহাই মিলবে যানজটের ঝামেলা থেকে

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বাংলাদেশে এবার ছুটবে মেট্রো রেল। স্বপ্নপূরণের পরিকল্পনা অনেকদিন আগেই শুরু হয়েছিল , এবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে আর বেশি দিনের অপেক্ষা নেই । ২০২১ সালের আগস্টের দিকে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের সফল ট্রায়াল রান হয়। সেক্ষেত্রে তখন মেট্রোটি মাত্র ছয়টি বগি নিয়ে দিয়াবাড়ি ডিপো থেকে মিরপুর ১২ নম্বর স্টেশন পর্যন্ত গিয়ে আবার পুনরায় ডিপোতে ফিরে এসেছিল। সেই সময় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । সেখানে উপস্থিত ছিলেন বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি তখনই জানানো হয়েছিল ২০২২ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় তিনটি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন । সেই তালিকায় ছিল পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী ট্যানেল, মেট্রোরেলের লাইন- ৬। মেট্রোরেলের এই প্রকল্প সম্পূর্ণ শেষ করার ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সাল। আগাম পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই উত্তরা থেকে আগাগাঁও পর্যন্ত প্রকল্প শেষ করা হবে। কিন্তু অতিমারি পরিস্থিতির কারণে সেই পরিকল্পনায় কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

তবে এবার আশার আলো। বাংলাদেশের প্রথম পাতাল রেল নির্মাণের কাজ শুরু হবে ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাস থেকে , এমনটাই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ । এক্ষেত্রে আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মানুষ পাতাল রেলে একস্থান থেকে অন্যস্থানে খুব কম সময়ে যেতে পারবেন। ঢাকার যানজটে আটকে পড়ে বহু মানুষের সময় নষ্ট হয়, সেই সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যাবে পাতাল রেল চালু হলে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই নির্মাণকাজ শুরু হবে পাতাল রেলের ডিপোর ভূমি উন্নয়নের মাধ্যমে । সেই উদ্দেশ্যেই ইতিমধ্যেই ভূমি অধিগ্রহণ সহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এবার শুধু কনকারেন্সের অনুমোদনের অপেক্ষা। অনুমোদন পেলেই ঠিকাদারদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী ব্যয় হবে প্রায় ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। যে পরিকল্পনা ২০২০ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়ার কথা ছিল তা অতিমারি পরিস্থিতির জন্য পিছিয়ে যায়। এমআরটি-১ রেললাইনের ক্ষেত্রে দুটি অংশ থাকবে । একটি অংশ ভূগর্ভে এবং অপরটি উড়ালপথে। এক্ষেত্রে স্টেশনের সংখ্যা থাকবে মোট ১৯টি। যার মধ্যে পাতালপথে থাকবে প্রায় ১২ টি স্টেশন। প্রতিটি স্টেশনে আড়াই থেকে তিন মিনিট অন্তর ট্রেন থামবে। এই পথে মোট ২৫ টি ট্রেন চালু থাকবে, যার ফলে একটি ট্রেন যাত্রী বহন করতে পারবে প্রায় তিন হাজারের বেশি জন যাত্রী। এছাড়াও স্টেশন থেকে ওঠা নামার জন্য ব্যবস্থা থাকবে সিঁড়ি, লিফট এবং এস্কেলেটরের।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories