Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীর দত্তক সন্তান পারিবারিক পেনশনের অধিকারী ! ফয়সালা হাইকোর্টের

।। প্রথম কলকাতা ।।

কোন ব্যক্তি যদি সরকারি চাকুরে হন এবং তিনি অবসর প্রাপ্ত হওয়ার পর যদি কোন সন্তান দত্তক নেন তাহলে সেই সন্তানের পারিবারিক পেনশন পাওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে । বিষয়টি নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল । সরকারি তরফ থেকে দত্তক নেওয়া সন্তানকে পারিবারিক পেনশন দেওয়া হয়নি। অবশেষে আদালত পর্যন্ত জল গড়ালে বেশ কয়েক বছর ধরে এই মামলাটি চলে। অবশেষে হাইকোর্ট থেকে রায় দেওয়া হয়েছে, অবসর নেওয়ার পরেও দত্তক নেওয়া সন্তান পারিবারিক পেনশন পাবেন।

পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট হরিয়ানা সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীর দত্তক নেওয়া কন্যাকে পারিবারিক পেনশন অস্বীকার করার সিদ্ধান্তকে ভুল বলে খারিজ করেছে। পিটিশন দাখিল করার সময় যমুনানগরের বাসিন্দা রাজবালা হাইকোর্টে জানান, তার বাবা গুগ্গু রাম পিডব্লিউডিতে বেলদার হিসাবে কাজ করতেন। তখন তার কোন সন্তান ছিল না। ১৯৯৩ সালে তিনি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তার ঠিক ২ বছর পর অর্থ্যাৎ ১৯৯৫ সালে আবেদনকারীকে সন্তান হিসেবে দত্তক নেন। এই পরিপেক্ষিতে আবেদনকারী আরো জানান, এই বিষয়ে তার বাবা সমস্ত রকম নথি তৈরি করে গিয়েছেন।

তার বাবা ২০০৬ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে আবেদনকারী পারিবারিক পেনশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পারিবারিক পেনশনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল । এক্ষেত্রে কারণ হিসেবে জানানো হয়েছিল, আবেদনকারীকে তার বাবা অবসর গ্রহণের পরে দত্তক নিয়েছিলেন এবং তাই তিনি পেনশন পাওয়ার অধিকারী নন।

বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ালে, বিচারপতি এই বিষয়ে জানিয়েছেন অবসর গ্রহণের আগে দত্তক নেওয়া শিশু এবং পরে দত্তক নেওয়া শিশুর মধ্যে বৈষম্য করা সংবিধান পরিপন্থী। যদি এটি করা হয়, তাহলে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে দত্তক নেওয়া সন্তানকে পরিবারের সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া হবে। যা একেবারেই যথাযথ হবে না। পাশাপাশি হাইকোর্টের তরফ থেকে জানানো হয়, আবেদনকারী তার পিতার কন্যা , তাই এক্ষেত্রে তার পারিবারিক পেনশন পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। হাইকোর্ট এক্ষেত্রে হরিয়ানা সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, আবেদনকারীরকে তার বাবার মৃত্যুর তারিখ থেকে পারিবারিক পেনশনের মুলতুবি থাকা অর্থ দিতে হবে কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি সুদ পাবেন না । কারণ আবেদনকারী পারিবারিক পেনশনের জন্য আবেদন করেছিলেন তার বাবার মৃত্যুর বেশ কয়েক বছর পর।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories