Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

আট বছর আগেই আত্মহত্যা, সেখানেও নাম জড়িয়ে পল্লবীর লিভ-ইন পার্টনার সাগ্নিকের!

|| প্রথম কলকাতা ||

পল্লবী দে’র মৃত্যুর পরেই উঠে এলো আরও এক তথ্য। আট বছর আগে হাওড়ার জগাছার একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পল্লবীর মৃত্যুর পর নতুন করে এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন আট বছর আগে সাগ্নিকের কারণে আত্মঘাতী সৌমির বাবা।

২০১৪ সালে ১৮ মার্চ সৌমির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে। সৌমির বাবা জানান ওই সময়ে বাড়িতে কেউ না থাকায় মৃত্যুর সময় কেউ বুঝতে পারেনি। সৌমির বাবা অজয় মন্ডল জানান, সৌমির সঙ্গে সাগ্নিকের প্রেম ছিলো। তারা একই স্কুলে পড়ত। হাওড়ার জগাছার পড়ুয়া ছিল তারা। পরে তারা ভর্তি হয় ফোর্ট উইলিয়াম কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে।

অজয় মন্ডল বলেন, তার মেয়ের সাথে সাগ্নিকের সম্পর্ক তিনি পছন্দ করতেন না। সৌমির সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতেও যেত সাগ্নিক। অজয়বাবু বারণ করলেও কোনো লাভ হয়নি সেক্ষেত্রে। একাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার পর আত্মঘাতী হন সৌমি। তখন সাগ্নিক দ্বাদশ শ্রেণীতে পরে।

পল্লবী দে’র মৃত্যু খবর সামনে আসতেই সৌমির মৃত্যু খবর নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। পরিবারের তরফে জানা গেছে সৌমির সাথে রাস্তাঘাটে দুর্ব্যবহার করতো সাগ্নিক। পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছিল সে। সাথে অন্য ছেলে দিয়ে সৌমিকে বিরক্ত করতো সাগ্নিক।

অজয়বাবু জানিয়েছেন, মেয়ের মৃত্যুর পর জগাছা থানার পুলিশকে এই পুরো বিষয় জানালে তারা এই ঘটনাকে সমর্থন করেননি। অষ্টম শ্রেণী থেকে সাগ্নিকের সাথে বন্ধুত্ব সৌমির। তা ছিলো ২০১৪ সাল অবধি। সাগ্নিকের চরিত্র নিয়ে সন্দেহ ছিলো অজয়বাবুর সে বিষয়ে তিনি তার মেয়েকে সাবধানও করেন তবে লাভ হয়নি এরপরেই আত্মঘাতী হয় সৌমি। পল্লবীর মৃত্যুর পর পল্লবীর মা বাবা সাগ্নিকের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। গ্রেফতার করা হয় সাগ্নিককে। বিচারের এক্তিয়ারের মধ্যে তারা সাগ্নিককে এনেছেন দেখে খুশি অজয় বাবু।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories