Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

খনি তৈরির কাজে বাধা, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ইসিএলের

।। প্রথম কলকাতা।।

খোলামুখ খনির তৈরির কাজে বাধা সৃষ্টি করলেন স্থানীয় তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। এমনটাই অভিযোগ উঠল ইসিএলের তরফ থেকে। শুধু তাই নয় এই ঘটনায় থানায় ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ইসিএল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি দুর্গাপুরের । অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত খান্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাবি, পুনর্বাসন না দিয়েই খনির কাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়রা এই ধরনের কোনো দাবি জানাচ্ছেন না বলেই জানা যায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব কটাক্ষ করে বলেন, বেআইনি খনি থেকে টাকা আদায় বন্ধ হয়ে যাবে বলে এই বাধা।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যেখানে কাঠগড়ায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সিধুলির খোলামুখ খনি তৈরির কাজে বাধা সৃষ্টি করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব ,এমনটাই অভিযোগ করেছেন ইসিএল কর্তৃপক্ষ। দায়িত্বপ্রাপ্ত ইসিএল আধিকারিক বি কে তিওয়ারি জানান, চলতি মাসের ১২ তারিখে সন্ধ্যে নাগাদ এই খনিতে এসে দলীয় পতাকা লাগান পঞ্চায়েত প্রধান এবং তাঁর অনুগামীরা। সেই সময় খনির কাজ চলছিল বলেই জানালেন তিনি । এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে অন্ডাল থানায়।

অভিযুক্ত খান্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামলেন্দু অধিকারী জানান, ইসিএল স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনরকম পুনর্বাসন না দিয়েই কাজ শুরু করেছে। ওই খনিতে কোন রকম তোলাবাজি হয় নি । শুধুমাত্র মানুষের স্বার্থে কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। যতক্ষণে ইসিএল কর্তৃপক্ষ লিখিত দিচ্ছেন ততক্ষণ কাজ শুরু করতে দেবেন না তাঁরা। অন্যদিকে গ্রাম কমিটির সদস্য পলাশ বারুই জানান , ইসিএলের বিরুদ্ধে তাদের কোনো রকম অভিযোগ নেই। আর খনির কাজ বন্ধ করার সঙ্গে তাঁরা কোনোভাবেই জড়িত নন।

কয়লা খনির কাজে বাধা দেবার প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, সেখানে যে বেআইনি কয়লা কারবার চলছে তার ভাগ পাচ্ছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান। কিন্তু সেই খনিতে সরকারি ভাবে কয়লা উত্তোলন হলে তিনি তাঁর ভাগের টাকা আর পাবেন না । যার কারণে এই বিরোধিতা পঞ্চায়েত প্রধানের। বিরোধী দলের দাবি ,রাজ্যজুড়ে সর্বত্র এই ধরনের ঘটনা ঘটছে । সেক্ষেত্রে অন্ডাল তার ব্যতিক্রম নয় বলেই জানালেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে শিল্প বান্ধব করে তোলার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর সেই জায়গায় তাঁর দলের পদে থাকা ব্যক্তিত্বরা কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। শাসকদলের এই দ্বিচারিতা নিয়ে বর্তমানে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories