Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

আনিসের বাড়িতে পুলিশি অভিযান আইন মেনে হয়নি, আদালতে স্বীকার রাজ্যের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

আজ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজ শেখর মান্থার এজলাসে আনিস খান মামলার শুনানি ছিল। ইতিপূর্বে মামলাকারীর আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharyya) সওয়াল করেছিলেন। আজ সওয়াল করলেন রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। আনিস খানের বাড়িতে পুলিশি অভিযান আইন মেনে হয়নি, আদালতে স্বীকার করল রাজ্য।

রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হল, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের শাস্তি হোক, কিন্তু আনিস খানকে হত্যা করার উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁরা সেখানে যান নি। তাই আইনের ৩০২ ধারা এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সালেম খান এই মামলার প্রত্যক্ষদর্শী নন। শুধুমাত্র তিনি পড়ে যাবার আওয়াজ শুনেছেন। কেউ চিৎকারের আওয়াজ পান নি। খুনের কোনরকম প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে, আনিসের বাড়িতে সেদিন যে অভিযান হয়েছিল, সেই অভিযান আইন মেনে হয়নি। যে পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের যথাযথ শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে। তবে, যে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীরা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা তাঁকে খুন করার বা মেরে ফেলার কোনরকম পরিকল্পনা বা উদ্দেশ্য নিয়ে যান নি। এখনো পর্যন্ত এই মামলায় খুনের স্বপক্ষে কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এরপর আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই পুলিশকর্মী আনিস খানের বাড়িতে যাবার পর কি ঘটলো? তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রিপোর্টে পাওয়া যায়নি। পুলিশ কী পদ্ধতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে? জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে পরিবারের আস্থা রয়েছে কিনা? এই বিষয়গুলো এই রিপোর্টে পরিষ্কার নয় পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারা প্রযোজ্য হবে না, তা কী করে নিশ্চিত করা হচ্ছে? তার স্বপক্ষে যুক্তি পাওয়া যায়নি।

রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আনিস খানের মৃত্যু কোন খুন নয়। এটা দুর্ভাগ্যবশত হয়েছে। এটা দুর্ঘটনা। তাঁকে উপর থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে এটার কোন প্রমাণ নেই। কোন প্রত্যক্ষদর্শী নেই। যার থেকে জোর দিয়ে বলা যায়, বাড়ির কোন জায়গা থেকে পড়ে মারা গেছে আনিস। যে ঘটনা ঘটেছে তা দুর্ঘটনা। রাজ্য পুলিশের গাফিলতি খুঁজে পাওয়া যায়নি। সিট সঠিক তদন্ত করেছে। তাই এখানে সিবিআই দরকার নেই।

রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল আরও জানান, গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি আনিস খানের মৃত্যু হয়েছিল। আনিসের বাড়িতে সেদিন সিভিক পুলিশ রেড করতে গিয়েছিল। এরপরই তিনি জানান, “সিভিক পুলিশ নিয়োগের আমি সম্পুর্ন বিরোধিতা করছি। রাজ্যের উচিত সিভিক পুলিশ নিয়োগ বন্ধ রাখা।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories