Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাংহাইয়ে, দিনে দিনে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন

1 min read

|| প্রথম কলকাতা ||

‘জিরো কোভিড’ স্থিতি থাকা সত্ত্বেও সাংহাইয়ের জন্য স্বাভাবিক জীবন বেশ খানিক দূরে বলে জানা গেছে। চীনের অন্যান্য শহরগুলি যেগুলি লকডাউনের অধীনে রয়েছে, তাঁদের মধ্যে সম্প্রতি বেশ কিছু শহরে কোনও নতুন কেস দেখা যায়নি। তৃতীয় দিন কোনো নতুন কোভিড কেস না আসার অর্থ সাধারণত “শূন্য কোভিড” অবস্থা।

সাংহাই মঙ্গলবার টানা তিন দিনের দীর্ঘ-প্রতীক্ষিত মাইলফলক অর্জন করেছে। যেখানে কোয়ারেন্টাইন জোনের বাইরে কোনও নতুন কোভিডের কেস নেই তবে বেশিরভাগ বাসিন্দাকে স্বাভাবিক জীবন শুরু করার আগে আরও কিছু সময়ের জন্য বন্দী থাকতে হবে বলে জানা গেছে। সাংহাই এই সপ্তাহে কিছু দোকান এবং ফার্মেসি পুনরায় খোলার সাথে সাথে ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমে বাইরের ক্রিয়াকলাপ পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা করেছে, তবে ২১ মে পর্যন্ত চলাচলের উপর বেশিরভাগ বিধিনিষেধ রয়েছে, এর পরে গণপরিবহন এবং অন্যান্য পরিষেবাগুলি ধীরে ধীরে আবার শুরু হবে।

জুনের মধ্যে, লকডাউন তুলে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে, তবে বাসিন্দাদের এখনও ঘন ঘন কোভিড পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। এই সপ্তাহে আরও বেশি লোককে তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিছু শরীর সচেতন মানুষকে দেখা গেছে রাস্তায়। এক ব্যক্তিকে সাংহাই নদীতে মাছ ধরতে দেখা গেছে। কিন্তু তা অনেক কম সংখ্যায়। রাস্তায় প্রাইভেট গাড়িও ছিল কম, বেশিরভাগ মানুষ এখনও তাদের বাড়িতেই সীমাবদ্ধ।

এই সপ্তাহে কতগুলি দোকান পুনরায় খোলা হয়েছে তা পরিষ্কার নয় তবে ইতিবাচক ভাবে, ডেলিভারি অ্যাপগুলিতে মঙ্গলবার থেকে লোকেদের অর্ডার করার জন্য আরও প্রসস্থতা দেখিয়েছে।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে আলিবাবা ফ্রেশিপ্পো নামে একটি দোকান পুনরায় খোলা হয়েছে, যেখানে প্রায় ১০ জন কর্মচারী দেখা যাচ্ছে কিন্তু ক্রেতা ছিলো কেবলমাত্র দু’জন দোকানের দরজায় একটি চিহ্ন বলেছে যে গ্রাহকদের একটি নেতিবাচক কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট এবং একটি পাস দেখাতে হবে যাতে বোঝা যায় তারা প্রয়োজনীয়তার কারণে বাড়ির বাইরে অনুমোদিত। একবারে শুধুমাত্র ২০ জন গ্রাহককে দোকানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, সাংহাই ১৬ মে এক হাজারটিরও কম নতুন কেস রিপোর্ট করেছে। সমস্ত অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলি কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে রয়েছে। তুলনামূলকভাবে বেশ কয়েকটি এলাকা যেখানে কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি ছিলো, সেগুলি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তৃতীয় দিনে সেখানে কোনও নতুন কেস পাওয়া যায়নি।

যদিও চীনের বাকি জায়গায় অবস্থা আগের থেকে উন্নত হয়েছে। তবে এখনো বেশ কিছু জায়গায় সম্পূর্ণ লক ডাউন চলছে। বাড়ির বাইরে লোকেদের বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। অনেক জায়গাতেই এখনো রেস্টুরেন্ট, দোকান, মল এসবকিছুই বন্ধ রয়েছে। অবস্থার দিক বিচার করে চলছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম। তবে সংঘাইয়ের অবস্থা দেখে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনের আশা দেখছে চীনের বাকি শহর গুলো।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories