Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হল অফ ফেমে গেইল, এবিডি

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

আইপিএলের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র‍্যাঞ্চাইজি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হল অফ ফেমে জায়গা পেলেন ক্রিস গেইল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। ইউনিভার্স বস বলে পরিচিত ক্রিস গেইল ও ‘মিঃ ৩৬০’ এবিডি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের দেশজোড়া ফ্যানবেস নির্মানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। কেবলমাত্র মাঠের দাপুটে পারফর্মেন্সই নয়, গেইল ও এবিডির মাঠের বাইরের জনপ্রিয়তাকেও স্বীকৃতি দিয়ে ব্যাঙ্গালোরের ফ্র‍্যাঞ্চাইজিটির হল অফ ফেমে তাঁদের নাম যুক্ত করা হয়েছে।

আরসিবি’র ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট মাইক অফ হেসন জানান ফ্র‍্যাঞ্চাইজির হয়ে কমপক্ষে তিনটি মরসুম খেলা ক্রিকেটার যারা মাঠ ও মাঠের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদেরকেই হল অফ ফেমে জায়গা দেওয়া হবে। ফ্র‍্যাঞ্চাইজির প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি জানান ক্রিস গেইল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে মাঠ ও মাঠের বাইরে যে অবদান রেখেছেন তা অবিশ্বাস্য।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের সুবাদে অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। ইউনিভার্স বস বলে পরিচিত এই ওপেনার কলকাতা নাইট রাইডার্স হয়ে আইপিএল অভিষেক ঘটালেও ব্যাঙ্গালোরের ফ্র‍্যাঞ্চাইজিটিতে গিয়ে চোখ ধাঁধানো সাফল্য পেয়েছিলেন। আইপিএলে ১৪২টি ম্যাচ খেলে ক্যারিবিয়ান বাম হাতি ব্যাটার ৪৯৬৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। গতবছর অবসর গ্রহণ করা দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটার এবিডি ভিলিয়ার্সও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। ১৮৪টি ম্যাচে মিঃ ৩৬০ ডিগ্রি বলে পরিচিত এই কিংবদন্তি ব্যাটার ৫১৬২ রান সংগ্রহ করেছেন। রয়েছে ৩টি শতরান ও ৪০টি অর্ধশতরান।

দুই তারকার অবদান সম্পর্কে কোহলি বলেন – ” এবিডি তার উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে ক্রিকেটের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে। যা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ‘প্লে বোল্ড’ দর্শনকেই তুলে ধরে। আমি এবিডির সঙ্গে এগারো বছর ও ক্রিস গেইলের সঙ্গে সাত বছর খেলেছি। দুটো যাত্রারই শুরু ২০১১ সালে। আমার কাছে ওই বছরটা ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ। দুই কিংবদন্তির সঙ্গে সাক্ষাত হয়েছিল। গেইল ও এবিডির সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি আছে তাদের মধ্যে কয়েকটি ভীষণ স্পেশ্যাল। এবিডির সঙ্গে ২০১৬ সংস্করণে গুজরাট লায়ন্সের বিরুদ্ধে দুটি ম্যাচের স্মৃতি। ওই পার্টনারশিপটা সারাজীবন আমার সাথে থাকবে। খুব কাছ থেকেই দেখেছিলাম কীভাবে অবিশ্বাস্য ইনিংস গড়ে ওঠে। হতবাক করে দিয়েছিল। ক্রিস গেইল ওই বছর চারটি ম্যাচ পরে যোগ দিয়েছিল। দুটো শতরান সহ প্রচুর রান করে। তারপর সেই ১৭৫। কেই বা ভুলতে পারে। “

Categories