Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

পল্লবীর মৃত্যুতে প্রত্যক্ষ যোগ ঐন্দ্রিলার! ‘অভিযোগ ভিত্তিহীন’ সাফ মন্তব্য তরুণীর

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

রবিবার টেলি অভিনেত্রী পল্লবী দে-র মৃত্যুকে ঘিরে এখন সরগরম নেটপাড়া। সময়ের সাথে সাথে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আত্মহত্যা বললেও তার মানতে নারাজ পরিবার ও তার সহকর্মীরা। যদিও এর পেছনে রয়েছে অনেক কারণ।

আর তার জেরেই সম্প্রতি পল্লবীর লিভ-ইন পার্টনার সাগ্নিক এবং তাঁর বান্ধবী ঐন্দ্রিলার বিরুদ্ধে পল্লবীর পরিবার এনেছে খুন, প্রতারণা, সম্পত্তি হস্তাগত করা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। কিন্তু কে এই ঐন্দ্রিলা? তিনিই বা কী বলছেন? পরিচয় প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি পল্লবী-সাগ্নিকের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেটা শুধুমাত্র একটা রাতের জন্য। তাও একা নয় অনেকে মিলে ছিলাম।

কিন্তু কেন? কী ছিল সেই রাতে?

ঐন্দ্রিলা জানিয়েছেন, পল্লবী-সাগ্নিক দুজনেই আমার খুব ভালো বন্ধু। কিছুদিন আগেই একটা বিয়েবাড়ি ছিল। সেখানে সব বন্ধুরা আমন্ত্রিত ছিল। বিয়েতে সবাই মিলে যাই। খাওয়াদাওয়া সারতে সারতে রাত প্রায় সাড়ে বারোটা বেজে গিয়েছিল। যেহেতু জয়েন্ট ফ্যামিলি আমার, তাই গেট লক করে দেওয়া হয়। আমাদের সঙ্গে আরও দু’টো বন্ধু ছিল। কোথায় থাকবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। তখন পল্লবী বলে, রাতটা তার গড়ফার ফ্ল্যাটে কাটিয়ে দিয়ে সকালে বাড়ি যেতে। আমি সেই প্রথমবার ও একবারের জন্যই ওই ফ্ল্যাটে যাই। কিন্তু এর আগে কিংবা পরে আমি একা কখনও ওই ফ্ল্যাটে যাইনি। পরের দিন সকালে সাগ্নিক খুব অসুস্থ হয়ে পরে। রক্ত বমি হচ্ছিলো ওর। কিন্তু পল্লবীর শ্যুটিং ছিল। তাই তাঁকে বেরোতেই হত। তাই পল্লবী নিজেই আমাদের তিন জনকে থেকে যেতে বলেছিল। বিকেলে পল্লবী ফিরে আসে। সকলে মিলে সাগ্নিককে নিয়ে হাওড়ায় ডাক্তার দেখাতে যাই। তার পরে পল্লবী খানিক ক্ষণের জন্য ওঁর হাওড়ার বাড়িতেও ছিল। ফিরে আসতে আমরা যে যার মতো বাড়ি ফিরে আসি।

একই সাথে ঐন্দ্রিলার বক্তব্য, ‘‘আমরা ছোটবেলার বন্ধু। আমি হাওড়ার জগাছার বাসিন্দা। ক্লাস নাইন থেকেই আমাদের একটা বন্ধুদের গ্রুপ ছিল। আমি সাগ্নিক-পল্লবী তিন জনেই যেহেতু হাওড়ার বাসিন্দা তাই একে অপরকে আমরা বহুদিন ধরেই চিনতাম। মাঝে পল্লবীর প্রাক্তন প্রেমিক রেহানের সাথে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে যদিও কিছুদিন যোগাযোগ ছিলোনা আমার। তবে পরবর্তীকালে নানান অডিশন দিতে গিয়ে দেখা হয়েছে। তারপর থেকে আবার বন্ধুত্ব শুরু। এমনকী পল্লবীর মুচিপাড়ার বাড়িতেও আমি খুব যাতায়াত করতাম। কিন্তু এতকিছু জানার পরেও আজ পল্লবীর বাবা-মা আমার নামে এ সব কেন বলছেন, বুঝতে পারছি না। আমি কাকিমাকে ফোন করি, ফোন ধরেননি। ওর ভাইকে ফোন করি, তাকেও পাইনি। আমি জানতে চাই, আমার দোষটা কী?’’ তবে সত্যিই কি পল্লবীর মৃত্যুর সাথে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ যোগ আছে কিনা ঐন্দ্রিলার। নাকি ঐন্দ্রিলার কথা মতো সবটাই ভিত্তিহীন! তা বলবে সময়। একই সাথে বলবে পুলিশি তদন্ত।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories