Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘ছেলের জন্ম আমার কাছে মিরাকেল’, ‘অভ্যায়ন’ এর জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট দিয়া মির্জার

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

গতবছর করোনা আবহে অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন মিস এশিয়া প্যাসিফিক দিয়া মির্জা এবং স্বামী বৈভব রেখির কোল আলো করে আজকের দিনেই এসেছিলো এক ফুটফুটে পুত্র সন্তান। ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘অভ্যায়ন আজাদ রেখি’। দেখতে দেখতে আজ ১ বছরে পা দিলো ‘অভ্যায়ন’। ছেলে তাঁদের কাছে ‘মিরাকেল বেবি’। কিন্তু কেন? ছেলের জন্মদিনে সেই কথাই শেয়ার করলেন দিয়া।

শনিবার নিজের ইনস্টাগ্রামে ছেলের ছবি শেয়ার করে সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন দিয়া। লিখলেন, আমাদের জান, আমাদের মিরাকেল, তুমি ‘ইমাজিন’ গানটি বাজানোর সাথে ১ বছর আগে এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলে। সঠিক জন্মের সময়ের ৩ মাস আগেই তুমি জন্মেছিলেন। তখন তোমার ওজন ছিল মাত্র ৮২০ গ্রাম। তুমি ছিলে প্রিম্যাচিওর বেবি। তোমার জন্মের ৩৬ ঘন্টা পরে আমরা জানতে পারি তোমার নেক্রোটাইজিং হয়েছে। এন্টারোকোলাইটিস এবং জীবন রক্ষাকারী অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। তোমাকে ৯০ দিন ধরে রাখা হয়েছিল এনআইসিইউতে স্টোমাতে। সেখানেই তোমায় যত্ন করা হয়েছিল এবং পুষ্ট করা হয়েছিল এবং অবশেষে স্টোমা নিয়ে আমাদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছিল।”

দিয়া একই সাথে প্রকাশ করেছেন যে, অভ্যায়নের আরো একটা অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। যখন তার শক্তি এবং ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয় তখন তার দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। সাড়ে চার ঘন্টার অস্ত্রপ্রচারের পরে ফের ২১ দিন তাঁকে হাসপাতালেই রাখতে হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, আগেই দিয়া জানিয়েছিলেন, গর্ভাবস্থায় জটিল সমস্যায় দেখা যাওয়ায় তাঁর জীবন সংকটে ছিল, সেই কারণেই সময়ের আগেই সি-সেকশনের মাধ্যমে তাঁর গর্ভস্থ সন্তানকে ভূমিষ্ঠ করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিত্সকরা। তারপর থেকেই নিওনেটাল আইসিইউতে রাখা হয়েছিল অভ্যায়নকে।

একই সাথে সেসময় তাঁর দু-মাসের শিশুপুত্র ইতিমধ্যেই তাঁকে প্রকৃতি ও মাতৃত্বের প্রকৃত মানে বুঝতে সাহায্য করেছে বলেও জানিয়েছেন দিয়া মির্জা। ইনস্টাগ্রামে সেই অনুভূতি শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘আমরা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখি একরত্তির দিকেও সত্যি একটা আশ্চর্যই বটে, ওর কাছ থেকে শিখছি মানবতা, প্রকৃতির প্রতি বিশ্বাস এবং অবশ্যই মাতৃত্ব কী জিনিস। ভয় না পেয়ে কীভাবে লড়াই করতে হয়, সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয় সেটাও ও আমাদের শিখিয়েছে। আমি মন থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই সেই সকল মানুষকে যাঁরা এই যাত্রায়, এই লড়াইয়ে আমাদের সাহায্য করেছে আশার এই গল্পে তাঁরাও অংশীদার হয়েছে, অভ্যায়নের জন্য একটা সুস্থ, সুরক্ষিত জায়গা করে তুলতে সাহায্য করেছে।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories