Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

উত্তর প্রদেশের লখনৌ-এ নিষিদ্ধ হল ইলেকট্রিক টোটো, রিকশা! কারণ জানলে অবাক হবেন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

জ্বালানি থেকে সরে এসে দেশজুড়ে বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা। দু চাকা থেকে শুরু করে, তিন চাকা, চার চাকা সব ক্ষেত্রেই বৈদ্যুতিক যান ব্যবহারে উৎসাহ জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ ধরণের গাড়ি সাধারণত পরিবেশ-বান্ধব যান হিসাবেই ধরা হয়। কিন্তু উত্তর প্রদেশের লখনৌ মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের মতে, এ ধরণের ই-রিকশা থেকে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। আর তাই হজরতগঞ্জ, গোমতীনগর ও আলমবাগ শহরজুড়ে ১১ টি রুটে ইলেকট্রিক রিকশা এবং টোটো নিষিদ্ধ করল প্রশাসন।

এদিন একটি নোটিশ জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে লখনৌ মিউনিসিপাল কর্পোরেশন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বায়ু দূষণ, ট্রাফিক জ্যাম, জননিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই সংশোধন নিয়ে আসা হয়েছে। ১২ ই মে থেকে ১১ টি রুটে ইলেকট্রিক রিকশা চালানো বা পার্কিং করা যাবে না।

যদিও এই সিদ্ধান্ত প্রথমবার নয়। এর আগেও ২০১৮ সালে ইলেকট্রিক রিকশা নিষিদ্ধ করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। সেই সময় ৩৬ টি রুটে ইলেকট্রিক যান চলাচলের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, আর ১০ টি রুটে জারি হয়েছিল কড়া বিধিনিষেধ। এর মধ্যে বেশ কিছু রুটে সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে পুরোদস্তুর ইলেকট্রিক অটো বা টোটো নিষিদ্ধ করল লখনৌ প্রশাসন।

এমন সিদ্ধান্তের পর স্বাভাবিক ভাবেই অবাক হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ইলেকট্রিক যানবাহনের সাথে পরিবেশ-দূষণের পরোক্ষ সম্পর্ক থাকলেও জ্বালানি চালিত গাড়ির তুলনায় অনেক কম। আর যেখানে দেশে ইলেকট্রিক তিন চাকা গাড়ির মার্কেট শেয়ার ৪৬ শতাংশ। সেখানে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যা শুনে কার্যত হতবাক ইলেকট্রিক যানবাহনের মালিকরা। এদিকে ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ভর্তুকি দেওয়া শুরু করেছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। এই ধরণের গাড়ির প্রচলনে কোনোরূপ খামতি রাখছে না কেন্দ্রও।

Categories