Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া মিটলেও আদালতের আদেশ বহাল থাকবে ! রায় হাইকোর্টের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ মিটে গেলে কিংবা সমঝোতা হলেও আদালতে দেওয়ার রায় কখনই বাতিল হতে পারে না। তা মেনে চলতে হবে উভয় পক্ষকেই , এমনটাই জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। সম্প্রতি এক মহিলা তার সন্তানের দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন , যদিও বহুদিন ধরেই এই সম্পর্কিত বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলেছিল। সে ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে আদালতের রায় দিয়ে দিয়েছিল যে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুটি তার মায়ের কাছে থাকবে। আদালতের রায়ের পর পরবর্তীকালে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে সমস্ত ঝামেলা মিটে যায় এবং তারা আবার একসঙ্গে বসবাস করতে শুরু করেন। কিন্তু কিছুদিন যেতেই আবার দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। স্বাভাবিকভাবেই তখন ওই মহিলা তার স্বামীর থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন। ওই মহিলার আবার আদালতের দ্বারস্থ হন নিজের সন্তানের দাবিতে। তার দাবি অনুযায়ী, সন্তানকে তার স্বামী জোর করে আটক করে রেখেছে। মামলাটি পুনরায় আদালতে উঠলে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়েছে, আদালতের বাইরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমঝোতা হলেও হাইকোর্টের আদেশ কখনই বাতিল হয়ে যায় না।

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া ও পরে সন্তানের হেফাজতে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। প্রথমে এলাহাবাদ হাইকোর্ট শিশুটির ১০ বছর বয়স পর্যন্ত তার মায়ের কাছে থাকার রায় দিয়েছিল। পরবর্তীকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবার মিল হয়ে যাওয়ায় দুজনে একসাথে থাকতে শুরু করেন এবং পুনরায় সম্পর্কে চিড় ধরায় ওই মহিলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। তার স্বামী জোর করে সন্তানকে কাছে রেখে দেন । স্ত্রী শ্বেতা গুপ্তা সন্তানের হেফাজতে না দেওয়ার জন্য স্বামী ডাক্তার অভিজিৎ কুমার এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অবমাননার মামলা করেন।

এই আবেদনের শুনানি করা বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়াল বলেছেন যে আদালত নিজেই ১০ বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানের হেফাজতের অধিকার মায়ের কাছে হস্তান্তর করেছে। সেক্ষেত্রে সেই আদেশ আদালতের বাইরে বাতিল হবে না। আদালত শিশুটির ইচ্ছাও জানতে চেয়েছে। শিশুটি তার মায়ের কাছে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এই বিষয়ে আদালত প্রতিপক্ষের স্বামীকে সন্তানের হেফাজত মায়ের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে বলে, শিশুটি ১০ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকবে। এক মাসের মধ্যে স্বামীর আবেদনের জবাব চেয়েছে আদালত। পরবর্তী শুনানি হবে জুলাইয়ে।

আসলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদের জেরে দুজনেই আলাদা থাকতে শুরু করে, তারপর টানাপোড়েন শুরু হয় নাবালক শিশু আরভকে নিয়ে। এই বিষয়ে আদালত বলেছে, আরভ ১০ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের সঙ্গে থাকবেন। বাবা আর দাদা সপ্তাহে একবার বিকেলে তিন ঘণ্টার জন্য দেখা করতে পারবেন। স্বামীর জমা করা ১৫ হাজার টাকা স্ত্রীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories