Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

নাম না করেও মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির দাবি মীনাক্ষীর, কিন্তু কেন?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

রাজ্যজুড়ে একের পর এক ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনা রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার দিকে বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়েছে। তবে, শাসক দলের অস্বস্তি বহুগুনে বাড়িয়ে দিয়েছে হাঁসখালির ধর্ষণের ঘটনা। কারণ,এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তের বাবা এলাকার একজন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা। আবার, এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে বক্তব্য রেখেছেন, তা নিয়েও সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। এই প্রেক্ষিতে নাম না করেও মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেপ্তারের দাবি করলেন সিপিএমের যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।

আজ বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল যেমন গিয়েছিল হাঁসখালিতে, তেমনি যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আজ হাঁসখালি পৌঁছায় বামেদের যুবদল। নির্যাতিতার বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। এরপর, সরাসরি না করেও তুলোধোনা করেন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

প্রসঙ্গত, হাঁসখালির গণধর্ষণকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “আপনি রেপড বলবেন? নাকি প্রেগন্যান্ট বলবেন? না লাভ অ্যাফেয়ার্স বলবেন? এটা এনকোয়ারি করেছেন কি? আমি পুলিশকে বলেছি এটা।” আবার, অভিযুক্তের সঙ্গে নির্যাতিতার প্রেম সম্পর্ক ছিল কিনা? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, “মুখ্যমন্ত্রীর উচিত আগে হাঁসখালির ওই বাড়িতে গিয়ে গলায় গামছা দিয়ে ক্ষমা চাওয়া।”

এবার এ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিএমের যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় জানালেন, “লাভ অ্যাফেয়ার্স সহ এই বোনটির সম্পর্কে যে সমস্ত কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো অশ্লীল। যিনি বলেছেন, তাঁর পকসো আইনে গ্রেপ্তার হওয়া উচিত।” এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, যারা এসব করছেন, আর যারা ধামাচাপা দিতে চাপ দিচ্ছেন, তাঁরা সবাই শাসক দলের লোক। এর বিরুদ্ধে যদি রাস্তায় নামা না যায়, তবে বাংলার মেয়েদের আর মান-সম্মান থাকবে না।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories