Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

“কারা বলে রূপকথার সময় পার হয়েছে? আমি আজ সাক্ষী থাকলাম” মেয়ের বিয়েতে আবেগঘন বাবা

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

কাল অর্থাৎ চৈত্রের শেষ বেলায় অগ্নি সাক্ষী রেখে সাঁতপাকে বাঁধা পড়েছেন রণবীর-আলিয়া। বলাই বহুল্য দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। বৃহস্পতিবার ফাইনালি বান্দ্রার ‘বাস্তু’ বাড়িতে মিস্টার এন্ড মিসেস কাপুর হলেন রালিয়া। এদিন বিবাহ পর্ব সেরে এদিন দীর্ঘ অপেক্ষার পরে সন্ধ্যে ৮ টা নাগাদ প্রকাশ্যে এলেন নব দম্পত্তি। হাত নেড়ে অভিবাদন জানালেন সংবাদ মাধ্যমকে। আর তারই মাঝে হঠাৎ আলিয়াকে কোলে তুলে নিলেন রণবীর কাপুর। পাঁপরাজিৎদের ক্যামেরা বন্দী সেই মুহূর্ত এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যা দেখে অনুরাগীরা বলছেন, একেই বলে ‘ক্যাসানোভা’ রণবীরের ম্যাজিক।

এদিন রালিয়ার বিয়েতে অতিথিদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। বৃহস্পতিবার ‘বাস্তু’র বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের নিকট আত্মীয় সহ ঘনিষ্ট বন্ধু-বান্ধবরা। একে একে এসেছিলেন, নীতু, ঋদ্ধিমা, কারিনা, করিশ্মা, রানধীর, ববিতা কাপুর। মহেশ ভাট, শাহিন ভাট, সোনি রাজদান, করণ জোহার, আনিস জৈন, আরমান জৈন। রণবীরের প্রিয় বন্ধু অয়ন মুখোপাধ্যায়। একই সাথে উপস্থিত ছিলেন আম্বানি পরিবারের আকাশ আম্বানি, শ্লোকা আম্বানি। এছাড়াও উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বচ্চন পরিবারকেও। এদিন সকলের উজ্জ্বল উপস্থিতিতেই বিয়ে সারলেন রালিয়া।

মেয়ের বিয়ে দিতে এদিন উচ্ছ্বসিত ছিলেন মহেশ ভাট। ১৩ তারিখ মেহেন্দি অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিলো তাঁকে। মেয়ে-জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় মেহেন্দি দিয়ে নিজের হাতের তালুতে লিখেছিলেন মেয়ে-জামাইয়ের নাম। বৃহস্পতিবার ইটাইমসে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে মহেশ বলেন, “কারা বলে রূপকথা সময় পার হয়ে হয়েছে? আমি আজ সাক্ষী থাকলাম’।

মহেশ ভাটের এই মন্তব্যে এখন আবেগ প্রবণ নেটপাড়া। আসলে সব বাবার কাছেই তার মেয়ে রাজকন্যার মতো। আর সেই রাজকন্যার বিয়ে  রূপকথার চেয়ে কম নয়। ছোটবেলায় রূপকথার নায়ক-নায়িকার বিয়ের মতোই সেজে উঠেছিল রণবীর-আলিয়া। আশেপাশের তৈরি পরিবেশ তাতে দিয়েছে আমল। সবমিলিয়ে মিলিয়ে বৃহস্পতিবারের এই সন্ধ্যা আলিয়ার বাবা তথা মহেশ ভাটের কাছে ছিল রূপকথার গল্পের মতো।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories