Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘কুণাল-পার্থ প্রসঙ্গে কিছু বললে না খেয়ে মরবে’, কেন এমন মন্তব্য মদন মিত্রর?

।। প্রথম কলকাতা।।

কামারহাটি তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বেশ কিছু ক্ষেত্রে এমন মন্তব্য করেন যা তাকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। আবার কখনও কখনও তাঁর মন্তব্য বেশ হাস্যরসের যোগান দেয়। বৃহস্পতিবার কামারহাটি থানা উদ্বোধনে এসে তিনি তাঁর দলের নেতৃত্বদের প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করলে যার ফলে অনেকগুলি প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখীন হতে হল তাকে। সাংবাদিকদের করা প্রশ্নটি ছিল ,কুণাল ঘোষ এমন অনেক মন্তব্য করছেন যার ফলে দলের বর্ষীয়ান যে শীর্ষ নেতৃত্বরা রয়েছেন তাদের সাথে কুণাল ঘোষের মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে। যেখানে দলের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে কোন কথা দলের মধ্যে আলোচনা করে তবেই বলা হবে।

সেক্ষেত্রে কুণাল ঘোষের প্রসঙ্গ নিয়ে মদন মিত্র কে বলতে শোনা যায়, ” আমার মুখও নেই ,আমার কাছে পাত্রও নেই। আমি একজন চুনোপুঁটি এমএলএ। আসলে আমি এগুলোর উত্তর দিতে গেলে না খেয়ে মরব। কারণ এটা এতটাই হাই প্রোফাইল ব্যাপার। কুণাল কেন বলেছে তাঁর উত্তর কুণাল দিতে পারবে । আমি শুধু এটুকু বলব দুর্নীতিমুক্ত একটি ভালো প্রশাসন যিনি দিতে চেয়েছেন এবং এখনও চাইছেন তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়“।

পাশাপাশি এদিন তাকে বলতে শোনা যায়, ” দলের শৃঙ্খলা কমিটি আমাকেও শোকজ করেছিল। আমি তার জবাব দিয়েছি তিন পাতা চিঠিতে । দলে থাকলে দলের নিয়মিত পালন করতেই হবে। বাবার টাকায় খাব, এমএলএ হব আর বাবার কথা শুনব না তাই কখনও হয় নাকি ? কুনাল যা বলেছে হয়তো পার্টির মধ্যে কথা বলেই বলেছে”। তাঁর কথায় স্পষ্ট বোঝা গেল, তিনি শুধুমাত্র দল বলতে দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেনেন । বাদবাকি যারা দলের শীর্ষ নেতৃত্বে রয়েছেন তাদেরকে অবশ্যই তিনি নম্বর দেন তবে তুলনামূলকভাবে ‘কম’ নম্বর দেন।

বৃহস্পতিবার তিনি কামারহাটি থানা উদ্বোধনে এসেছিলেন। সেখানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ প্রশাসনের সামনেই এলাকার দুষ্কৃতীদের হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গেল মদন মিত্রকে। তিনি বললেন, এলাকায় কোনরকম দুর্নীতিমূলক কাজকর্মও সহ্য করা হবে না। আর যারা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকবে ,গন্ডগোল বাধানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ কিছু বছর আগে পর্যন্ত যে কামারহাটি ছিল, যেখানে বোমের আওয়াজ বন্ধ হলে তবে সকাল হতো বলে বোঝা যেত, সেই কামারহাটি বর্তমানে একেবারে বদলে গিয়েছে । এখানে মানুষ শিক্ষিত হয়েছে । তাই তাদের এখন প্রয়োজন শুধু চাকরির। এমনটাই বলতে শোনা গেল তাকে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories