Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

রমজানে ইফতারের এত গুরুত্ব কেন ? অবশ্যই পড়ে দেখুন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান একটি অত্যন্ত পবিত্র মাস । এটি ক্যালেন্ডারের নবমতম মাস। রমজান মাস পালিত হয় প্রায় ৭২০ ঘন্টা ধরে অর্থাৎ ৪ সপ্তাহ ২ দিন। অ্যারাবিক শব্দ রমজান কথাটি এসেছে রমিদা থেকে যার অর্থ প্রচন্ড গরম। রমজান মাসের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ধর্মপ্রাণ মুসলিম ব্যক্তিদের কাছে ঈদের অর্থ, ধৈর্য্য, সহ্য ক্ষমতা, ভক্তি।

২০২২ সালের রমজান শুরু হচ্ছে এপ্রিল মাসের ২ তারিখ থেকে এবং শেষ হবে মে মাসের ১ তারিখে। যেদিন শেষ হবে তার পরের দিনই পালিত হবে ঈদ-উল-ফিতর। এইদিন আয়োজন করা হবে নানান সুস্বাদু সব পদের রান্না এবং মুসলিম ব্যক্তিরা সেজে উঠবেন নতুন পোশাকে। যদিও রমজান মাস কবে শেষ হবে তার তারিখ আগাম আন্দাজ করে বলা যায় মাত্র কারণ এই ব্যাপারটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে চাঁদের উপর। কখনো রমজান মাস ২৯ দিনের জন্য হয়, আবার কখনো বা ৩০ দিনের জন্য হয়।

৫ বার নামাজ পড়া
রমজান মাসের ধর্মপ্রাণ মুসলিম ব্যক্তিরা পাঁচবার নামাজ পড়েন। তার নাম হলো – ফজ্র ( গোধূলি), ধুর ( দুপুর), অস্র ( বিকেল), মগ্রিব ( সন্ধ্যে), ইশা ( রাত)।

সেহরি ও ইফতার
পুরো রমজান মাসজুড়ে পালন করা হয় কঠিন রোজা । সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মুসলিম ব্যক্তিরা এই সময় কোন খাবার বা জল পান করেন না। তবে সূর্যাস্তের পরে এবং সূর্যোদয়ের আগে খাওয়া যেতে পারে। রমজানের সঙ্গেই জড়িয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। একটি হল সেহরি আরেকটি হলো ইফতার। সেহরি কথার অর্থ হলো ঊষার পূর্বের খাবার অর্থাৎ রমজান মাস চলাকালীন সূর্যোদয়ের আগে খাবারকে সেহরি বলা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলিম ব্যক্তিদের কাছে সেহরি এবং ইফতারের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে । সূর্যাস্তের পর রোজা ভাঙার সময় যে খাবার খাওয়া হয় বা সেই নিয়মকে বলা হয় ইফতার। এটি শুরু হয় কখনও বা খেজুর দিয়ে কখনও বা জল দিয়ে আবার কোথাও বা ভেজা চাল দিয়ে।

বেশিরভাগ মানুষ শুধুমাত্র ইফতারির সময় খেঁজুর খান এবং বিশ্বাস করা হয় যে এটি ইসলামের শেষ নবী হজরত মুহাম্মদের প্রিয় ফল ছিল। কথিত আছে যে তিনি খেঁজুর।খেয়ে রোজা ভঙ্গ করতেন এবং এই প্রথা আজও অনুসরণ করা হয়। তাছাড়া সারাদিন না খেয়ে থাকার পর খেঁজুর খেলে দ্রুত শক্তি পাওয়া যায়।

রোজায় সেহরি ও ইফতার উভয়েরই নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে। সেহরির সময় হলো সকালে সূর্যোদয়ের আগে। এ সময় মানুষ খাওয়া-দাওয়া করে। এরপর ভোরে ফজরের আজান দিয়ে রোজা শুরু হয় এবং সূর্যাস্তের পর মাগরিবের আজান হলে রোজা ভেঙে যায়।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories