Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সত্যিই আনারুলকে সরাতে চেয়েছিলেন অনুব্রত, দাবি আশিসের অনুরোধে তা পারেননি

।। প্রথম কলকাতা।।

বগতুই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি আনারুল হোসেনের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিয়ে ফের চাঞ্চল্যকর তথ্য এল প্রকাশ্যে। ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে আনারুল হোসেনকে বেশ কয়েক মাস আগেই সরিয়ে দিতে চেয়ে ছিলেন বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু সেই কাজ তিনি করতে পারেননি বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দোপাধ্যায়ের অনুরোধে।

এই প্রসঙ্গে বিগত বছরে আশিস বন্দোপাধ্যায় বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে একটি চিঠি লেখেন । যে চিঠি বর্তমানে প্রকাশ্যে এসেছে । সেই চিঠিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আশিস বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন, ” রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত রাখা হোক। ওর দায়িত্ব আমি নিচ্ছি”। এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই বেশ বিস্মিত হন অনুব্রত মণ্ডলও।

অবশেষে নিজেকে খানিক সামলে নিয়ে এই চিঠি সম্পর্কে অনুব্রত দাবি করেন, অনেক আগেই ব্লক সভাপতির পদ থেকে আনারুলকে তিনি সরাতে চেয়ে ছিলেন। কারণ ভোটে তাঁর ফল ভালো ছিল না । সাথেই তার বিরুদ্ধে বহু মানুষের অভিযোগ উঠে আসছিল। কিন্তু আশিস বন্দোপাধ্যায় তাকে মুচলেকা দেওয়ায় তিনি পঞ্চায়েত ভোট পর্যন্ত আনারুলকে ব্লক সভাপতি পদে রাখার কথায় সম্মতি জানান। এমনকি অনুব্রত মণ্ডলকে বলতে শোনা যায়, আশিস বন্দোপাধ্যায় বিধানসভার প্রবীণ সদস্য। তাই তাঁর কথায় বিশ্বাস রেখেই আনারুলকে সরান নি তিনি।

জানা যায়, বিজেপির যে কেন্দ্রীয় দল বগতুই হত্যাকাণ্ড নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করেন সেই রিপোর্টে একাধিকবার বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এর নাম উঠে এসেছে। সেই প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল স্পষ্ট জানান, বিজেপি তাঁর রিপোর্টে কী দিয়েছে তা নিয়ে কোনোরকম আগ্রহ নেই তাঁর”। যদিও গতকাল বিজেপির এই রিপোর্ট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র নিন্দা করেন এবং বলেন রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেপ্তার করানোর চক্রান্ত চলছে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories