Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

করোনার মাঝে নতুন জ্বরের আতঙ্ক , মরছে বহু মানুষ ! জানুন উপসর্গ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

একে করোনায় রক্ষে নেই তার উপর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এক নতুন জ্বর। যদিও এই জ্বরে ভুক্তভোগীর সংখ্যা আগেই পাওয়া গিয়েছিল তবে সম্প্রতি এর ফলে মৃত্যুর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। মাত্র ৮৮ দিনে মারা গিয়েছেন প্রায় ১২৩ জন। করোনা মহামারী যেভাবে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে, তার উপর একের পর এক নিত্যনতুন ভ্যারিয়েন্টে রীতিমতো বিশ্ববাসী নাজেহাল হয়ে পড়েছেন।

তার মাঝখানে উদ্ভব হলো ইঁদুর বাহিত লাসা জ্বরের। যদিও এই জ্বর প্রথম নয়, কিন্তু করোনার মাঝে এই জ্বর আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে বিদেশি রাষ্ট্রগুলিতে। ব্রিটেনে লাসা জ্বরের দুজন রোগী পাওয়া গিয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে। লাসা জ্বরে আক্রান্ত ২৫% রোগীর মধ্যে বধিরতা দেখা দেয়। এই রোগীদের অর্ধেক এক থেকে তিন মাসের মধ্যে শ্রবণশক্তি ফিরে পান।

২১ দিন জ্বর

মানুষের উপর লাসা জ্বরের প্রভাব দুই থেকে ২১ দিন স্থায়ী হয়। মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, নাইজেরিয়ার লাসা শহরে এই রোগটি প্রথম ১৯৬৯ সালে নিশ্চিত হয়েছিল। এর পর এর নাম হয় লাসা। প্রতি বছর গড়ে এক লাখ থেকে তিন লাখ ঘটনা ঘটে এবং পাঁচ হাজার মৃত্যু ঘটে। বেনিন, ঘানা, মালি, সিয়েরা লিওন, নাইজেরিয়ায় প্রাদুর্ভাব বেশি।

কী এই লাসা জ্বর?

সিডিসি অনুসারে, লাসা জ্বর-সৃষ্টিকারী ভাইরাসটি পশ্চিম আফ্রিকায় পাওয়া যায় এবং যা নাইজেরিয়ার লাসাতে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। জ্বরটি ইঁদুর দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। সংক্রামিত ইঁদুরের প্রস্রাব বা মল দ্বারা দূষিত খাবারের সংস্পর্শে এলে একজন ব্যক্তি সংক্রামিত হতে পারেন। সোমবার নাইজেরিয়ান মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশটিতে সর্বশেষ এই জ্বরের প্রাদুর্ভাবে ইতিমধ্যেই ৮৮ জন প্রাণ হারিয়েছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগ জনের বয়স ২০ বছর । নাইজেরিয়ায় ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের এই রোগটি বেশি হচ্ছে।

উপসর্গ গুলি জেনে রাখুন

হালকা লক্ষণ
•সামান্য জ্বর
•ক্লান্তি
•দুর্বলতা
• মাথাব্যথা

গুরুতর লক্ষণ
•রক্তপাত
•শ্বাস নিতে অসুবিধা
•বমি
•মুখ ফুলে যাওয়া
•বুকে, পিঠে এবং পেটে ব্যথা

লক্ষণগুলি সাধারণত এক্সপোজারের ১ থেকে ৩ সপ্তাহ পরে দেখা দেয়। শুধু তাই নয় , সংক্রমিত ব্যক্তির শ্রবণশক্তি বা কথা বলার ক্ষমতাতেও মারাত্মকভাবে প্রভাব পড়ে। এই জ্বরে যদি কেউ মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাও সুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। জনসাধারণের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কম। তবে গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে এই রোগের যথাযথ চিকিৎসার প্রয়োজন।

এই জ্বর থেকে কীভাবে সতর্ক হবেন ?

সব থেকে ভালো উপায় হল ইঁদুরের সংস্পর্শ সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলা। যতসম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, বিশেষ করে গৃহস্থলীর সামগ্রির প্রতি বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত। যদি বাড়িতে খুব ইঁদুরের উৎপাত হয় সে ক্ষেত্রে তার প্রতিরোধ মূলক ভাবে ব্যবস্থা করতে হবে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories