Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলআইসির এজেন্ট হয়ে গেছেন – কী কারণে একথা বললেন সায়ন

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি এলআইসির এজেন্ট বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানালেন, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী কম, জীবন বীমার এজেন্ট বলে বেশি মনে হয়। তিনি আরও জানালেন, যেভাবে সিটের তদন্ত করা উচিত ছিল, তা সিট করেনি। এ কারণে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রামপুরহাট কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বললেন প্রথম কলকাতার প্রতিনিধি রোজিনা রহমান।

গতকাল বগতুই গ্রামে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের হাতে চেক দিয়ে এসেছেন, চাকরি ঘোষণা করে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, তাঁর পাড়াতে ২,৩ দিন আগে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী যেমন চেক দিয়েছেন, তেমনি এলআইসি এজেন্টও সেখানে গিয়ে চেক দিয়ে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী এলআইসির এজেন্ট হয়ে গেছেন। জীবন বীমা করা থাকলে, মারা গেলে চেক দিয়ে আসেন এলআইসির এজেন্ট। তেমনি চেক দিয়ে এলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলআইসির এজেন্ট হয়ে গেছেন।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, একটা অপদার্থ প্রশাসন মাথায় বসে রয়েছে। এই প্রশাসন মানুষকে বাঁচাতে পারে না। খুন হয়ে গেলে তার বাড়িতে গিয়ে চেক দিয়ে আসে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী? না তিনি এলআইসির এজেন্ট? বোঝা মুশকিল। মুখ্যমন্ত্রীর দায়-দায়িত্ব সংবিধানের প্রতি আস্থা রেখে সংবিধান অনুযায়ী আইনের শাসন কায়েম করা। আইনের শাসন যাতে টিকে থাকে, তার ব্যবস্থা করা। সেখানে তিনি চেক বিলি করছেন। এমন মুখ্যমন্ত্রী বাংলার বুকে আগে কখনো দেখা যায়নি। এমন মুখ্যমন্ত্রীর জীবনে কোনদিন দেখেননি তিনি। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী কম, জীবন বীমার এজেন্ট বলে বেশি মনে হয় তাঁর।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মহামান্য আদালত পরিষ্কারভাবে নির্দিষ্ট করে বলেছে সিটের যে তদন্ত করা উচিত ছিল, গুরুত্ব বুঝে তা সিট করেনি। সে কারণে সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিট। এ প্রসঙ্গে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, সারদাকাণ্ডে সুদীপ্ত সেনকে গ্রেপ্তার করেছিল রাজ্যের পুলিশ। একটা লোক দেখানো গ্রেফতারীর জন্য অনেক তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছে সিট। তার কোন হিসেব নেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ ২১ জনকে যেমন গ্রেফতার করেছে, তেমনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ কুণাল ঘোষকেও গ্রেফতার করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের উপরে ভরসা নেই, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো কুনাল ঘোষ এখন বাইরে বসে আছেন। সিবিআই হবে? না সিআইডি হবে? তৃণমূল কী করবে? কী না করবে? সেই নিয়ে কথা বলছেন।

গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরে রাজ্যের পুলিশের সাহস হলো আনারুলকে গ্রেপ্তার করার। চার আনার আনারুলকে গ্রেপ্তার করার জন্য নির্দেশ দিতে হয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। তারপর রাজ্যের পুলিশ গ্রেফতার করে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার কে? তিনি কি সিটের মাথায় বসেছেন? তিনি কেন তদন্তকে লিড করছেন? লিড করার কথা ছিল সিটের। তিনি সেখানে কেন বলছেন?

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories