Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘উত্তরবঙ্গ আজ যা ভাবে, সারা বাংলা ভাবে আগামীকাল’ – কেন একথা বলছেন শুভেন্দু?

।। প্রথম কলকাতা ।।

আর হাতে মাত্র কয়েকটি দিন, তারপরেই পুরভোটের দামামা বাজতে চলেছে শিলিগুড়িতে। আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আজ শিলিগুড়িতে বিজেপির হয়ে প্রচারের ঝড় তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলকে সরাসরি আবর্জনা বলে কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানালেন, উত্তরবঙ্গের মানুষ অনেক আগেই এই আবর্জনাকে ফেলে দিয়েছেন, তিনিও ফেলে দিয়েছেন এই আবর্জনাকে। সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে দেউলিয়া সরকার বলেও কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শিলিগুড়িতে ভোটের প্রচারে এসে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, একটা সময় মহামতি গোখলে বলতেন, বাংলা আজ যা ভাবে, সারাদেশ আগামীকাল তা ভাবে। কিন্তু তিনি বলতে চান, উত্তরবঙ্গ আজ যা ভাবে, সারা বাংলা তা ভাবে আগামীকাল। কারণ উত্তরবঙ্গবাসী অনেক আগেই তৃণমূল নামক আবর্জনাকে ফেলে দিয়েছেন। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে অনেক আগেই তাঁরা পরিত্যাগ করেছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এই আবর্জনাকে তাঁরা ফেলে দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, তিনিও এই আবর্জনা ফেলে দিয়েছেন। এই কোম্পানির মালিক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভগবান ও মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে এই কোম্পানির মালিককে নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ টি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী জানালেন,একটা বাড়ির যদি কাঠামো হয় উন্নয়ন, তবে সেই তিনতলা তাঁরা দিয়ে দিয়েছেন সাংসদ রাজু বিস্তকে, দ্বিতীয় তলা দিয়ে দিয়েছেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে, কিন্তু সেই বাড়ির একতলা এখনো তাঁরা বিজেপিকে দেননি। এই বাড়ির একতলাটা হলো কর্পোরেশন । এই গ্রাউন্ড ফ্লোর দিয়েই বিধায়ক, সাংসদদের কাছে পৌঁছানো যাবে। শিলিগুড়ি কর্পোরেশনকে মানুষ বিজেপির হাতে তুলে দেবেন, এই আবেদন জানাচ্ছেন তিনি মানুষের কাছে।

শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, এখানকার ৪০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের অকালপ্রয়াণ ঘটেছে। তাঁর বিদেহী আত্মাকে প্রণাম জানিয়ে তিনি বলতে চান, তিনি চলে যাওয়ার পর ১০ বছরের বেশি সময় ধরে এই ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছাড়া ছিল। তিনি হেঁটে আসছিলেন যে রাস্তা দিয়ে, দেখলেন পূতিগন্ধময় রাস্তা, চারিদিকে নোংরা আবর্জনা ভর্তি হয়ে আছে। যা কোনো কর্পোরেশনের লক্ষণ হতে পারে না। তিনি জানান, সিপিআইএম পরীক্ষিত ও বাতিল, তৃণমূল পরীক্ষিত ও বাতিল, শুধু বিজেপির কর্পোরেশন এখনো সেখানে হয় নি।

তিনি জানালেন, বিজেপির কাউন্সিলররা কাটমানির কাউন্সিলর হবেন না। তাঁরা ঈমানদার কাউন্সিলর হবেন। মানুষের দুয়ারে তিনি বিনম্রভাবে আবেদন জানাচ্ছেন যে, বিজেপি প্রার্থীদের বিজয়ী করতে। মানুষকে তিনি বলতে চান, তৃণমূল পার্টির লোকেরা বলছেন ডবল ইঞ্জিন রাজ্য সরকার টাকা দেবে, সেই টাকাটা তাঁরা খরচ করবেন। কিন্তু তিনি বলতে চান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দেউলিয়া হয়ে গেছে। গতমাসে তিনবার ঋণ নিতে হয়েছে তৃণমূল সরকারকে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories