Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘দেশ থেকে বিজেপিকে সরানো অত্যন্ত জরুরী’, কারণ জানালেন সুজন চক্রবর্তী

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে দেশের একাধিক রাজ্যে। রাজ্যে- রাজ্যে একেবারে তুঙ্গে ভোটের প্রচার। এই আবহে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমে বেশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন বামপন্থী নেতা সুজন চক্রবর্তী। বামপন্থী নেতা সুজন চক্রবর্তী জানালেন, বিজেপির অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিজেপিকে হারাতে গেলে সমস্ত বিরোধীদের এক হতে হবে। সেখানে আমিত্ব রাখা চলবে না। না হলে আখেরে লাভ হবে বিজেপির।

বিজেপিকে সরানো জরুরি

বামপন্থী নেতা সুজন চক্রবর্তী জানালেন,দেশ থেকে বিজেপিকে সরানো অত্যন্ত জরুরী। সারাদেশের মানুষ সেই ব্যবস্থাই করছেন। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যে যে ভোট পেয়েছে, পরে মহারাষ্ট্র যখন বিধানসভা ভোট হল তখন বিজেপির ভোট শতাংশ কমে গেছে, ভোট শতাংশ কমে গেছে হরিয়ানাতে। লোকসভা ভোটের পর বিজেপির অবস্থা ক্রমশই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বিজেপির গ্রাফ নিচে নেমে যাচ্ছে। দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিচ্ছেন শ্রমিকেরা, এক বছর ঠান্ডার মধ্যে কষ্ট করে থেকেও চোখে-চোখ রেখে লড়াই করেছেন কৃষকেরা। ৫৬ ইঞ্চির নরেন্দ্র মোদীকে ৩৬ ইঞ্চিতে নামিয়ে এনেছেন তাঁরা।

আমিত্ব ছাড়তে হবে

নরেন্দ্র মোদী হারবেনই, তাঁকে হারাতে হবে। কিন্তু, উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবকে জিতিয়ে দিলে নিজের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ প্রশস্ত হবে, এই মনোভাবের মধ্যে বড় বেশি আমিত্ব কাজ করে। আমি-আমি যত বেশি হবে, দূর থেকে আনন্দে, সুখে থাকবেন নরেন্দ্র মোদী। কারণ, অনেক আমির ভিড়ে আসলে বিরোধীরা ভাগাভাগি করে ফেলছেন।

আসল হলো ইস্যু

সুজন চক্রবর্তী জানালেন, কৃষক আন্দোলন হয়েছে। আসল হলো ইস্যু, ইস্যু যদি ঠিক থাকে, তবে সকলে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। কৃষক আন্দোলনে বামপন্থীরাও ভূমিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু বামই সব- এটা বলা হয়নি। ৫০০ কৃষক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে নরেন্দ্র মোদীর চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে পেরেছে। তাঁর পরাজয় নিশ্চিত। শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র সকলের মধ্যে এই মনোভাব দেখা যাচ্ছে।

আমি-আমি করলে লাভ বিজেপির

কিন্তু আমি সবচাইতে বেশি করব, এই মনোভাব তাড়াতে হবে, বিজেপির পরাজয় সুনিশ্চিত করতে হবে। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো, সর্বভারতীয় দলগুলো একসঙ্গে লড়াই করবে। মহারাষ্ট্রে, ঝাড়খন্ডে বিরোধীরা সেরকম ভূমিকা পালন করেছে। বিজেপির বিরুদ্ধে সমস্ত শক্তি যারা কর্পোরেট দাপটের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাদের সবাইকে এক হতে হবে, সেক্ষেত্রে আমি এক-সে এক করলে আখেরে লাভ হবে বিজেপির।

শুধু আঞ্চলিক দল দিয়ে হবে না

সুজন চক্রবর্তী জানালেন, বিজেপি গোয়াতে নিশ্চিতভাবে হারবে। কিন্তু বিজেপি বিরোধী শক্তিকে ভাগ করে দেবার জন্য যারা অংশ নিচ্ছেন, তাঁরা তো আসলে বিজেপিকে সাহায্য করছেন। সর্বভারতীয় দলের সঙ্গে আঞ্চলিক দল যুক্ত হতে পারে। শুধু আঞ্চলিক দলের তেমন শক্তিশালী হওয়া সম্ভব নয়।

বিভাজন বিজেপির লক্ষ

এখন বিজেপির লক্ষ্য সমস্ত বিরোধী শক্তিগুলোকে বিভক্ত করে দেওয়া। মুখ্যমন্ত্রী যদি সেই ফাঁদে পা না দেন, এ ব্যাপারে যদি সতর্ক থাকেন, তাহলে ভালো। তবে, সেটা তাঁর ব্যাপার। বিজেপিকে মানুষ হারাবার জন্য তৈরি। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বিহার, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র সহ সর্বত্র এটা সত্য।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories