Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘ইতিহাস সম্পর্কে কিছু লোকের উপলব্ধি শুধুমাত্র একটি পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ’, বিস্ফোরক মোদী

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

গতকালের পর আজও সংসদে টি-২০ মেজাজে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ব্যাটিং করে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর আক্রমণের প্রধান নিশানা কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্র। হাত শিবিরের বিরুদ্ধে নিজের আক্রমণ অব্যাহত রেখে আজ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিহাস সম্পর্কে কিছু লোকের উপলব্ধি শুধুমাত্র একটি পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’ সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘কংগ্রেসের অস্তিত্ব দেশের গণতান্ত্রিক অবস্থানকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। কংগ্রেসের মতো দলগুলি বংশ পরম্পরার রাজনীতি অনুসরণ করছে, যা দেশকে আঘাত করেছে।’ রাহুল গান্ধীর ‘রাজ্যের ইউনিয়ন’ মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উচিত নাম পরিবর্তন করে ‘কংগ্রেস ফেডারেশন’ রাখা।

মোদী বলেন, ‘কিছু সদস্য জিজ্ঞাসা করেছিলেন ‘কংগ্রেস না থাকলে কী হত? আমি বলতে চাই, কংগ্রেস না থাকলে জরুরি অবস্থা হত না, জাতপাতের রাজনীতি থাকত না, শিখদের কখনও গণহত্যা করা হত না, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘটনা ঘটত না।’ প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের সময় অবশ্য কংগ্রেস সদস্যদের হৈচৈ তীব্র আকার ধারণ করে।কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে বলেন, ‘ভারত গণতন্ত্রের জননী। বহু শতাব্দী ধরে দেশে গণতন্ত্র নিয়ে বিতর্ক চলছে। কংগ্রেসের সমস্যা হল, তারা কখনও রাজবংশ ছাড়া কিছুই ভাবেনি।’প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ভারতের গণতন্ত্র পরিবার-ভিত্তিক দলগুলিকে নিয়ে সবচেয়ে বড় হুমকির মুখোমুখি। পরিবারতন্ত্র থাকলে, যে কোনও দলের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল ভাল প্রতিভা চলে যায়।’

সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসের ফেডারেলিজম সম্পর্কে বক্তৃতা দেয়। কিন্তু যখন তারা কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল, সেই দশকগুলিতে মুখ্যমন্ত্রীদের তুচ্ছ সমস্যা নিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’ তাঁর দাবি, কংগ্রেস আমলে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয়েছিল, কারণ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র বিমানবন্দরের ব্যবস্থা পছন্দ করেননি। তিনি বলেন, ‘একইভাবে, কর্ণাটকের জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী বীরেন্দ্র পাটিলকেও অনাড়ম্বরভাবে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছিল এমন একটা সময় যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এমন সংকীর্ণ মানসিকতা নিয়ে কাজ করে না।’ .

প্রধানমন্ত্রী আজ বলেন, তিনি রাজ্যগুলির অগ্রগতির বিরুদ্ধে নন, তবে আঞ্চলিক আকাঙ্ক্ষা জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘ভারতের অগ্রগতি আরও শক্তিশালী হবে যখন দেশের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে আঞ্চলিক আকাঙ্খাগুলিকে মোকাবেলা করা যাবে। আমাদের রাজ্যগুলি এগোলেই দেশও এগিয়ে যাবে।’

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories