Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘মানুষকে ভিখারি করে লক্ষীর ভান্ডার খাওয়াচ্ছেন মমতা’, এ কী বললেন তথাগত ?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সদ্য বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এই বাজেট অর্থনীতিতে আরও বেশি করে গতি আনবে। কিন্তু বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, এই বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কোনো ঘোষণাই করা হয়নি। বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রবল কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের জন্য একটা কথাও বাজেটে বলা হয়নি। তাঁর কথায়, ” সাধারণ মানুষ তো চাল, ডাল চায়, হীরে নয়। আর ওরা নিজেরা হীরের ঘণ্ট খেয়ে বসে থাকবে।” এবার এ প্রসঙ্গেই রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়ের সঙ্গে কথা বললেন প্রথম কলকাতার প্রতিনিধি রোজিনা রহমান

মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে তথাগত রায় জানালেন, এগুলো একেবারেই মূর্খের মতো কথা। হীরের চচ্চড়ি হয়না, হীরের তরকারীও যে হয় না, সেটা মুখ্যমন্ত্রী খুব ভাল করেই জানেন, এতটা তিনি বুদ্ধিহীনা নন। যে হীরে নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটা তরকারি বা চচ্চড়ি খাবার জন্য নয়। সে কথাটা হচ্ছে হীরের রপ্তানি বাড়লে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা বাড়বে। যে বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে ভারত তেল কিনতে পারবে। সেই তেল দিয়ে পরিবহন চালাতে পারবে। যে পরিবহন চালালে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

অর্থাৎ, অর্থের আগমন হবে, মানুষের বিভিন্নভাবে উন্নতি হবে। এগুলো যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন না, তা মোটেই নয়। তিনি ভালভাবেই জানেন। কিন্তু জেনেশুনেই এইসব ভন্ডামি করছেন। এই ধরনের চটকদার কথা বললে লোকে খাবে, সে জন্যই তিনি এই ধরনের হীরের চচ্চড়ি, হীরের তরকারী এই সমস্ত অর্থহীন কথা বলছেন।

তথাগত রায় জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকগুলো পদ নিজের হাতে ধরে রেখেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো অর্থ দপ্তর। অর্থমন্ত্রীর পদ মন্ত্রিসভায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ। কারণ অর্থমন্ত্রীর পদ থেকেই বিভিন্ন দপ্তরে অর্থ যায়। সেই অর্থের রাস নিজের হাতে ধরে রাখেন অর্থমন্ত্রী। সেটা নিয়ে কী করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কারণ তিনি তো বলেছেন যে, তিনি ট্রেডমিলে দৌড়তে দৌড়তে বাজেট তৈরি করেন?

এর অর্থ খুবই সরল। বাজেট জিনিসটার তিনি কোনো গুরুত্বই দেন না। এতে তাঁর কিছু এসে যায় না। রাজ্যের তহবিল শেষ হয়ে গেলেও তার কিছু এসে আসে-যায় না। মাসের মধ্যে তিনবার ধার করেছেন। ধারের অঙ্ক সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তাতেও তাঁর কিছু আসে-যায় না। আজ পর্যন্ত ভারতে কোন রাজ্য সরকার এক মাসের মধ্যে তিনবার ধার করেছে? এই ধার কী করে শোধ করবেন? সেটা জানা নেই। সেটা রাজ্য সরকারও জানে না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন, মানুষ এত কিছু বুঝবেন না। মানুষ অর্থনীতির এত কচ কচি বোঝেন না। মানুষ মোটা রাজনৈতির বিষয়গুলোই বোঝেন। তাই তিনি মোটা রাজনীতির বিষয় গুলো মানুষকে খাইয়ে দেবেন। ইমাম, মোয়াজ্জেন ভাতা দিয়ে সংখ্যালঘু ভোট নেবেন, মানুষকে ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করতে বাধ্য করে লক্ষীর ভান্ডার করে ভোট টানবেন। এটাই তাঁর একমাত্র উপজীব্য। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতির মূল কথা। এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করলেন তথাগত রায়

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories