Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

প্রতিশ্রুতির ডালি সাজিয়ে বিধাননগরে জোরদার প্রচার CPIM-এর

।। প্রথম কলকাতা ।।

ইতিমধ্যেই প্রচারে নেমেছে সব রাজনৈতিক দল। কোমর বেঁধে সারছেন দলীয় প্রচার। প্রার্থীদের সাথে নিয়ে দ্বারে দ্বারে প্রচার করছেন দলীয় নেতৃত্বরাও। এবার বিধান নগর কর্পোরেশন এলাকায় প্রচার করতে বেরোলেন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম প্রার্থী বাসব বসাক। এদিন তাঁর সঙ্গে প্রচারে ছিলেন সুজন চক্রবর্তী এবং অন্যান্য দলীয় নেতৃত্বরা। মূলত সল্টলেকের এফডি ব্লকের প্রার্থী বাসব বসাক তাঁর নির্বাচনী প্রচার সারেন। কোভিড বিধি মেনেই এই দলকে প্রচার করতে দেখা যায়। এদিন প্রচারে বেরিয়ে সিপিআইএম প্রার্থী বাসব বসাক বলেন, “আমরা মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তাতে কোন সন্দেহ নেই। মানুষ আমাদেরকে আশীর্বাদ করতে ঘর থেকে বেরিয়ে আসছেন। শুধু ২০১৫ স্মৃতি মানুষকে তাড়িত করছে। মানুষের শক্তি তো সব থেকে বড় শক্তি। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস এলাকার মানুষ তাদের অপমানের বদলা নেবেন”‌।

সিপিআইএমের জয় পরবর্তী কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থার সুষ্ঠু সমাধান করতে হবে। এলাকায় যে সকল বয়স্ক মানুষ রয়েছেন তাদের জন্য হেল্পলাইন চালু করব। পৌরসভার ক্যাজুয়াল কর্মী দের জন্য যে শ্রমজীবী ক্যান্টিন আমরা চালাচ্ছি সেটিকেই আরও ভালোভাবে সংগঠিত করার চেষ্টা করব। নারী নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেব এবং গ্রীন ভলেন্টিয়ার রাখবো। এরকম এক গুচ্ছ উদ্যোগ রয়েছে আমাদের”। এদিন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম প্রার্থী বাসব বসাককে সঙ্গে নিয়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন,”বাসর বসাক ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী, যথেষ্ট ভাল মানুষ এবং পেশায় শিক্ষক এবং প্রার্থী হিসেবে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়। কাউন্সিলর মানেই মানুষের সব রকম পরিস্থিতিতে পাশে থাকবে। ভোট অর নো ভোট, বাসব বসাক এই প্র্যাক্টিস করে যাচ্ছেন বহুদিন ধরে। মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন এই বারে সেই অপেক্ষায় তাঁরা আছেন।

তবে তাঁর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারছে না। লুটের ভোট মানুষ ঠেকাবে তাঁর জন্য মানুষ আগ্রহী”। তিনি শাসকদলের বিরুদ্ধে বলেন, মানুষের ভোটে তাদের বিপক্ষে যাবে বলেই তাঁরা জানেন। তাই তাঁরা লুট করতে আগ্রহী ,ভোটে আগ্রহী নন। আর শাসক দল যেভাবে ভোট ক্যাম্পেইন করছে সেটা ভোট ক্যাম্পেইন নয় ,উৎসব চলছে। তাই তাদেরকে আটকে দেওয়া উচিত। পুরনির্বাচন পিছানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা একথা প্রথমেই বলেছিলাম। ২৩ শে জানুয়ারি যেখানে নেতাজির জন্মদিন ২৬ শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস সেখানে কি করে ২২ শে জানুয়ারি ভোট হয়? ২২ তারিখে ভোট করতে আগ্রহী যে সরকার ২৩ তারিখে সেই সরকারই নেতাজির জন্মদিন উদযাপনকে ছোট করে করতে উৎসাহী। দেশ বিরোধী মনোভাবে চলে ,যেমন তৃণমূল তেমন বিজেপি”।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories