Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

” ওরা বিশ্বাসই করতে পারেনি “, ডিআরএস বিতর্কে ভারতীয় দলের পাশে প্রোটীয় কিংবদন্তি

।। প্রথম কলকাতা ।।

কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিন নয়া বিতর্কে জড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্রোটীয় অধিনায়ক ডিন এলগারের ডিআরএস’কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে মাঠের মধ্যেই তীব্র অসন্তোষ জাহির করেন কোহলি সহ একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটার। ভারতীয় ক্রিকেটারদের তোপের লক্ষ্য ছিল আয়োজক দেশের সম্প্রচার সংস্থা সুপারস্পোর্ট। গৌতম গম্ভীরের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা অধিনায়ক কোহলির আচরণের তীব্র নিন্দা করলেও ভারতীয় দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন কিংবদন্তি প্রোটীয় ক্রিকেটার শন পোলক।

বিতর্কিত ডিআরএস

কেপটাউন টেস্টের শেষ ইনিংসে সিরিজ জয়ের জন্যে ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। বিতর্কিত ঘটণার সূত্রপাত ঘটে প্রোটীয় ইনিংসের ২১তম ওভারে। ওই ওভারে অশ্বিনের চতুর্থ বল প্রোটীয় অধিনায়ক ডিন এলগারের প্যাডে আছড়ে পড়ে। সফরকারী দলের আবেদনে সাড়া দিয়ে এলবিডব্লু আউট দিয়েছিলেন অভিজ্ঞ আম্পায়ার মারায়েস ইরাসমাস। মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট এলগার ডিআরএসের দারস্থ হন। এরপরই টিভি রিপ্লে’তে বলের হকআই প্রোজেকশান দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ভারতীয় দল। সেই রিপ্লেতে দেখা যায় হকআই প্রযুক্তি অনুযায়ী অশ্বিনের বলটি উইকেটেই লাগছে না। ভারতীয় দলের সদস্যরা তো বটেই অবাক হয়ে যান আম্পায়ার ইরাসমাসও। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি সহ অশ্বিন, কেএল রাহুলরা তাদের ক্ষোভ উগরেছেন আয়োজক দেশের সম্প্রচারকারী সংস্থার উপরেই। স্ট্যাম্প মাইক্রোফোনের কাছে গিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন কোহলিরা। ভারতীয় দলের আচরণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। তীব্র বিতর্কের আবহে প্রোটীয় কিংবদন্তি শন পোলককে পাশে পেয়েছেন বিরাটরা।

আবেগের বহিঃপ্রকাশ নিয়ে কোহলিদের পাশে দাঁড়ালেও হকআই প্রযুক্তিতে আস্থা রাখবার কথা জানিয়েছেন শন পোলক। প্রাক্তন প্রোটীয় অলরাউন্ডার বলেন – ” হকআই তাদের প্রায় নির্ভূল প্রযুক্তির জন্যেই বিখ্যাত। এটা একটা স্বাধীন সংস্থা, ওরা যে ধরনের পরিষেবা দেয় তার মান নিয়ে সন্দেহ থাকবার কথা নয়। ” মাঠের মধ্যে ভারতীয় দলের আচরণ নিয়ে পোলক জানান – ” হক আই প্রযুক্তিতে বলটা উইকেটের উপর দিয়ে যাচ্ছে দেখে ভারতীয় দল ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছিল। কোহলিরা ধরেই নিয়েছিল দ্বিতীয় উইকেটটা পেয়ে গিয়েছে। রিপ্লে দেখে ওদের বিশ্বাসই হয়নি। খেলার মধ্যে আবেগ কাজ করে। ভারতীয় দল পার্টনারশি ভাঙার জন্যে মরিয়া ছিল, অশ্বিনের বলটার পর ওরা ভেবে নেয় যে নিজেদের কাজটা করা হয়ে গিয়েছে। সেই হতাশার মোকাবিলা করা সহজ নয়, সাথে আবেগের বিষয়টা তো রয়েইছে। “

Categories