Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

তৃণমূলের ডায়মন্ড-ক্ল্যাশ, অভিষেকের মনের কথা নিয়ে বিবাদ কুণাল-কল্যাণের!

|| প্রথম কলকাতা ||

ডায়মন্ড হারবারকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেছেন তৃণমূলের প্রথম সারির মুখেরাই। এই কয়েকদিন রাজনীতিতে খুব চর্চা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায় এর ‘ ব্যক্তিগত মতামত ‘ নিয়ে। নিজে লোকসভা কেন্দ্রে গিয়ে সাংসদ একাধিক নিয়ম কানুন বেঁধে দিয়ে এসেছেন, তার সঙ্গেই বলেছেন, তিনি চাননা আগামী দু মাস কোথাও কোনো নির্বাচন হোক। সঙ্গেই যোগ করেছেন এটা একান্তই তাঁর ব্যক্তিগত মতো। গত কয়েকদিনে অভিষেকের এই মতামত নিয়ে বহুল চর্চা হয়েছে, অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন, কেউ কেউ নিজের কেন্দ্রের জন্য ডায়মন্ড হারবার মডেল ভাবছেন। তবে এসব নিয়ে আবার দলের মধ্যেই শুরু হয়েছে সূক্ষ্ম বিভেদ, এবং দিনে দিন জনসমক্ষে স্পষ্ট হচ্ছে।

অভিষেকের মত নিয়ে যখন সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসক মহল সাধু সাধু করছেন, তখন শ্রীরামপুরের সংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদটি সর্বক্ষণের। তাই এই পদে থেকে কারও ব্যক্তিগত কোনও মত থাকতে পারে না। অনেক বিষয়ে আমারও ব্যক্তিগত মত আছে। দলীয় শৃঙ্খলার কারণেই তা প্রকাশ্যে বলা যায় না। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধাচারণ। এভাবে রাজ্য সরকারকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে”।

একই সঙ্গে অভিষেকের এই সব বন্ধ রাখার নিদানের সমলোচনা করে ডায়মন্ড হারবার কাপের কথা তুলে এনে বলেছেন “ওই ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন যেখানে হয়েছিল সেখানে কয়েক হাজার মানুষ ছিলেন। মুম্বইয়ের গায়ককে এনে জলসা হয়েছিল। সেখানে কি সংক্রমণের সম্ভাবনা ছিল না?”

স্বাভাবিক ভাবেই কল্যাণের এই মন্তব্যে বেশ অস্বস্তিতে শাসক দল। তার মাঝেই মঞ্চে এসেছেন তৃণমূলের মুখপত্র কুণাল ঘোষ। তিনি পাল্টা মন্তব্য করেছেন, “দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যদি কোনো মন্তব্য বলে থাকেন তাহলে তাহলে মাথার ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। কোন সাংসদ কী বলেছেন, কোন সময় বলছেন, সেটা দেখা দরকার। কেউ বললেই কিছু বলে ফেলা উচিত না।” সঙ্গেই তিনি বলেন, “বিতর্ক সরিয়ে যদি দেখেন, অভিষেক যা বলেছেন, তা মানুষের মনের কথাই বলেছেন। এ নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিতর্ক পার্টি ভালচোখে দেখছে না।”

বিতর্ক কম হতো যদি এখানেই থেমে থাকতো পুরো বিষয়টি। কুণালের মন্তব্যের ফের পাল্টা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আবার বলেছেন, “কুণাল ঘোষ কবে দলে আছে আর কবে নেই আমি জানিনা। কুণাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কত কুরুচিকর কথা বলেছে গোটা বাংলা জানে। প্রেস কনফারেন্সে ব্যাক্তিগত চরিত্র হনন করেছে, আমিও দেখবো আগামী দিনে কী করে। আমার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা ছাড়া আমি কাউকে নেতা বলে মানিনা।” যুব নেতা দেবাংশু বলছেন এতভাল প্ল্যান ছকে যিনি এতো বড় কেন্দ্র ম্যানেজ করতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে তিনি আমাদের প্রশাসনের কেউ নন।

এদিকে ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়ে বিতর্কে একধাপ জুড়েছেন সুজন চক্রবর্তী, তাহলে ভাইপো পাস, পিসি ফেল, তার থেকেও ফেল মেয়র।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories