Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সমস্যার সমাধান চায় না বেজিং, সীমান্ত সংঘর্ষ জারি রেখে কী বোঝাতে চাইছে চীন?

1 min read

।।প্রথম ভারত।।

সীমান্ত নিয়ে সমাধান কি একদমই চাইছে না চীন! ভারত বারবার আলোচনায় বসতে চাইলেও চীন লাদাখ সেক্টরে বিচ্ছিন্নকরণ এবং ডি-এস্কেলেশনের বিষয়ে পরবর্তী দফার সামরিক আলোচনার তারিখে একমত হতে পারছে না কোনও মতেই। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) এখনও যে ফ্রিকশন পয়েন্টগুলি রয়েছে তা যৌথ ভাবে পরিচালনা করতে চাইছে ভারত, কিন্তু বেজিংয়ের ক্রমাগত বিরোধিতায় সেটি কোনও মতেই সম্ভব হচ্ছে না।

বিষয়টি নিয়ে পরিচিত ব্যক্তিরা নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, গত বছরের (২০২১) ১০ অক্টোবর চুশুল-মোল্ডো সীমান্ত মিটিং পয়েন্টে দুই পক্ষের সিনিয়র সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে ১৩তম বৈঠক হওয়ার পর থেকে ভারত এজেন্ডা আইটেম সহ পরবর্তী দফা আলোচনার জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

এই প্রস্তাবগুলিতে, ভারত জোর দিয়ে উল্লেখ করেছিল যে, ডেপসাং এবং চুমারের মধ্যে সমস্ত ফ্রিকশন পয়েন্টগুলি দু’দেশের সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে আলোচনায় সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করা উচিত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেছেন, ‍‘চীন এতে রাজি হচ্ছে না। ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রস্তাবের ক্ষেত্রে তাদের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন। তাদের পোস্টগুলি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই আমরাও নিশ্চিত নই যে, তাদের কোন প্রস্তাবগুলিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।’

১৮ নভেম্বর সীমান্ত বিষয়ক ভারত-চীন ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন (ডবিউএমসিসি)-এর শেষ বৈঠকে সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে ১৪তম রাউন্ডের আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী আলোচনা দ্রুত হওয়া উচিত। এমন সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও বেজিংয়ের বিভ্রান্তি অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং প্রোটোকল অনুসারে এলএসি বরাবর সমস্ত ফ্রিকশন ঘর্ষণ পয়েন্ট থেকে সেনা সরানোর ক্ষেত্রে মোটেই মনোযোগী নয় জিন পিং প্রশাসন।

দু’দেশের সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে ১৩তম রাউন্ডের আলোচনায় উঠে এসেছিল, দুই পক্ষই হট স্প্রিং থেকে সেনা অপসারণ করবে। সেই বৈঠকে চীনের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছিলেন কর্পস কমান্ডারের ডেপুটি। যদিও তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুমোদিত ছিলেন না।

শেষ আলোচনার পরে ভারতের জারি করা একটি বিবৃতিতে উল্লেখ রয়েছে, ‍‘ভারতী বাকি ক্ষেত্রগুলি সমাধানের জন্য গঠনমূলক পরামর্শ দিয়েছে, কিন্তু চীন তাতে সম্মত ছিল না এবং কোনও অগ্রগামী প্রস্তাবও দিতে পারেনি।’

এদিকে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) সীমান্ত বরাবর পরিকাঠামো, রাস্তা, সেতু, হেলিপ্যাড, ডুয়াল-ইউজ বিমানবন্দর এবং লাদাখ সেক্টরের পাশে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান প্রতিরক্ষা অবস্থান তৈরি করেই চলেছে। চীনের গৃহীত এই কৌশলগুলি ভারতীয় নিরাপত্তাকে বারবার বিঘ্নিত করছে। চীনের এই মনোভাব প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তারা এই প্রক্রিয়াটিকে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories