Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘বারবার লঙ্ঘন হয়েছে সংবিধান’ , সংবিধান দিবসে মোদীর ভাষণে কটাক্ষ পরিবারতন্ত্রকে

1 min read

।।প্রথম ভারত।।

আজ দেশের সংবিধান দিবস। প্রত্যেক বছরের মতো এবছরও গোটা দেশ জুড়ে উদযাপিত হচ্ছে এই বিশেষ দিনটি। ২৬শে নভেম্বর ভারতের সংবিধান গ্রহণের দিনটিকে স্মরণে রেখেই এই দিনটি পালন করেন দেশবাসী। প্রধানমন্ত্রী হিসাব দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই দিনটিকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর কেন্দ্র সরকার সরকারী বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২৬শে নভেম্বর দিনটিকে ভারতের সংবিধান দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। তারপর থেকে প্রতিবারই ২৬ নভেম্বর দিনটি সংসদের সেন্ট্রাল হলে পালিত হয়। এবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ মন্ত্রীসভার সদস্য ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংসদদের উপস্থিতিতে পালিত হচ্ছে সংবিদান দিবস। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। তবে অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস, বাম, তৃণমূল-সহ ১৪টি বিরোধী দল।

এদিন সেন্ট্রাল হলে নিজের ভাষণে সংবিধান দিবস প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী উল্লেখ করেন ভারতীয় সংবিধানের প্রণেতা বাবা সাহেব আম্বেদকরের নাম। সেই সঙ্গে তিনি কংগ্রেসের নাম না করেই উল্লেখ করেন ভারতীয় রাজনীতির পরিবারতন্ত্র কী ভাবে সংবিধানকে বারবার লঙ্ঘন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জানতে হবে ভারতের সংবিধান কেন রচিত হয়েছিল। আমাদের সংবিধান বারতের সহস্র বছরের ইতিহাসের আধুনিক সংস্করণ। সংবিধান হল সকল ঐতিহ্যের নতুন রূপ। দেশের ও দেশবাসীর উন্নতির জন্যই বাবা সাহেব আম্বেদকর সংবিধান রচনা করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়ে। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমাদের কর্তব্য সেই সংবিধান মেনে চলা ও দেশকে সঠিক পথ দেখানো।’

এদিন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বলেন, ‘কর্তব্য থেকে দায়িত্ববোধ আসে। আর সেই দায়িত্ব থেকেই রাজনৈতিক নেতারা দেশের জনগণকে এগিয়ে নিয়ে যান। মহাত্মা গান্ধী আমাদের এই পথই দেখিয়েছিলেন। দেশে ভ্রষ্টাচার, দুর্নীতি থাকলেও সংবিধান অনুয়যায়ী দোষীকে শাস্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। শাস্তি পাওয়ার ফলে অভিযুক্তর কাছে পথ খুলে যায় নিজেকে শুধরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার।’

এরপরই নাম না করে কংগ্রেসের ‘গান্ধী পরিবার’ তন্ত্রকে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকেই দেশে পরিবারতন্ত্র রাজনীতি চলছে। দলটি এখন ফর দ্য ফ্যামিলি, বাই দ্য ফ্যামিলি… এরপরের টুকু কি আমাকে বলে দিতে হবে?’ সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন কোনও দলে এমনটা চলতে তাকে, তখন সংবিদানের উপর বড় আঘাত আসে। যুগযুগ ধরে একটি পরিবারের হাতে দায়িত্ব থাকলে ভ্রষ্টাচার, দুর্নীতি বাড়তে বাধ্য। জাপানে আগে এমনটাই চলত। কিন্তু জনগণ সচেতন হওয়ায় দেশটিতে অবস্থা বদলেছে। ভারতেও এই অবস্থা ক্রমশ পরিবর্তন হচ্ছে।’

এরপর তিনি বলেন, ‘আমি বলছি না যে, একটি পরিবার থেকে দু-তিন বা আরও বেশি সংখ্যক সদস্য রাজনীতিতে আসতে পারবেন না, যোগ্যতা থাকলে তাঁরা নেতৃত্বেও আসতে পারেন। কিন্তু যদি দেখা যায়, শুধুমাত্র বিশেষ পরিবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে তখন প্রশ্ন তো উঠবেই?’

আপডেট থাকতে ফলো করুন আমাদের ইউটিউব , ফেসবুক, ট্যুইটার

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম