Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘রাজ্য নির্বাচন কমিশন তো রাজ্য সরকার চালায়’, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

1 min read

। । প্রথম কলকাতা । ।

গতকাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন কলকাতা পুর ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে। আগামী ১৯ শে ডিসেম্বর হয়েছে ভোট ।এবার শীতকালে ভোট হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘অনেককিছু পাল্টাচ্ছে এটাও পাল্টাচ্ছে। টিএমসির কাছে যে কোন ভাবে জিততে হবে। সেজন্য এদিকে কোর্টে কেস হচ্ছে হেয়ারিং হচ্ছে আর ইলেকশন কমিশনকে দিয়ে ঘোষণা করানো হচ্ছে। রাজ্য ইলেকশন কমিশন তো রাজ্য সরকার চালায় সেই জন্য তাদের ইচ্ছামতো হচ্ছে যেটা চাইছেন ওটা হচ্ছে। যখন চাইছেন তখন হচ্ছে। এটা নিয়ে সবাই চিন্তিত তাহলে কোর্ট কাছাড়ির প্রশ্ন কী থাকল ? ইলেকশন ঘোষণার আগে কোর্টে গেছেন কিন্তু হেয়ারিং ডেট ঘোষণা হতে হতে দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেল। এমনকি এত তাড়াহুড়ো যে রিপোলিংয়ের জন্য হয়ত সময় রাখা হয়নি। কাউন্টিং করে রাতারাতি গুটিয়ে ফেলতে হবে।


এটা নিয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,’ যারা লড়ছেন তারা যাবেন। কোর্ট কে বলে কলকাতায় আছেন সেখানে বক্তব্য রাখবেন সমস্ত পক্ষের লোকেরা। তারা ডিসিশন নেবে। কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছে যেভাবে ট্রেন্ড যাচ্ছে টিএমসি যেটা চাইছে সেটাই করবে’। গতকাল ত্রিপুরা ইলেকশনে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। কলকাতা পুরভোট আপনারা কি শান্তিতে করাতে পারবেন? এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন ‘পশ্চিমবাংলায় কোনো ভোট শান্তিতে হয় না আর হবেও না। এটাই পলিটিক্যাল কালচার হয়ে গিয়েছে। ত্রিপুরা নিয়ে যারা এত হাহুতাশ করছে, তারা কি ভুলে গিয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে এখানে ডজন ডজন লোক মারা যান। ওখানে কী হয়েছে? কার মুখে একটু চোট লেগেছে, কোথায় পড়ে গিয়েছে, কী হয়েছে সেটা কেউ জানে না। এতদিন সন্ত্রাস বলে যা চালাত, কোথাও সন্ত্রাস নেই। আপনারা গিয়ে খেলা হবে বলেছেন, আপনাদের কেউ বলেছে খেলা হবে। আপনারা মাইক বাজাচ্ছেন, সেখানে কেউ মাইক বাজিয়েছে। এটাকে সন্ত্রাস বলে? দুজন মিলে বাড়িতে দৌড়াদৌড়ি করছেন সেটা দেখিয়েছেন। একটা ফেক ভিডিও দেখানো হয়েছে। কোথায় সন্ত্রাস? কে কাকে সন্ত্রাস করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। তারাই চিৎকার করছে। আর ভিডিও করা হয়েছে, এভাবে একটা হাইপ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। মনে হচ্ছে টিএমসি আছে আর কোনো পার্টি নেই যারা ক্যান্ডিডেট দিতে পারেনি। ওখানকার লোক যেটা জবাব দিয়েছে সেটা মানতে হবে। এখান থেকে সন্ত্রাস বয়ে নিয়ে গিয়ে মিডিয়ায় গরম করে রাজনীতি করা আমার মনে হয় সবজায়গায় সফল হবে না। পশ্চিমবাংলায় সবাইকে বাধ্য করা হচ্ছে তাদের রাস্তায় যেতে’।

মদন মিত্র (Madan Mitra) মন্তব্য করেছেন কলকাতা ইলেকশনে একটিও এজেন্ট বসতে দেবেন না আর একটিও সিট ছাড়বেন না। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘সে দেখা যাক কি হয়। এমনিতেই অনেক জায়গায় এজেন্ট বসতে দেওয়া হয় না। বাই ইলেকশন হলো কোথায় এজেন্ট বসাতে দেওয়া হয়েছে। এজেন্ট যাইনি ভোটারের লাইন পড়েনি অথচ পুরো ভোট হয়েছে দেড় লাখ লিড হয়েছে আর সেটা সকলের সামনে হয়েছে। পশ্চিমবাংলায় ভোট হলে পঞ্চায়েত পুরসভার ভোট যেমন হয় আর বাই ইলেকশন তেমনি হয়’।

আপডেট থাকতে ফলো করুন আমাদের ইউটিউব , ফেসবুক, ট্যুইটার

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম