Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কলকাতা জমজমাট হচ্ছে বাংলাদেশীদের আগমনে, ফের ব্যবসায় লক্ষ্মী লাভ!

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

প্রতিবছর বহু মানুষ বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা কিংবা ব্যবসার কারণে ভারতে আসেন। অনেকে আসেন প্লেনে আবার অনেকে আসেন বাসে করে। সে ক্ষেত্রে প্লেনের খরচটা একটু বেশি। করোনা আবহে প্রায় সবকিছুই বন্ধ থাকায় ভারতে পর্যটকদের আনাগোনা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। গত ১৫ ই নভেম্বর থেকে চালু হয়েছে ট্যুরিস্ট ভিসা। তবে তা শুধুমাত্র আকাশপথে জন্য। ধীরে ধীরে আবার নিউমার্কেট এলাকার ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামক পরিচিত বিস্তীর্ণ এলাকা জমজমাট হয়ে উঠছে বাংলাদেশীদের আগমনের।

• নতুন আশা দেখছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা

এখানকার হোটেল মালিকদের মতে, বর্তমানে মোট ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বাংলাদেশি পর্যটক রয়েছেন। ট্যুরিস্ট ভিসার সম্পূর্ণভাবে চালু হলে তা ১০০ শতাংশ হয়ে যেতে পারে। প্লেনের ভাড়া অনেকটাই বেশি, তাই অনেক বাংলাদেশির ভরসা বাস। কিন্তু পুরোপুরি ভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়নি রোড ট্যুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে। তবে ধীরে ধীরে কোভিড গ্রাফ নামছে ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশেই। করোনা কালে রীতিমতো নিস্তব্ধতা নেমে এসেছিল কলকাতার হোটেল পাড়ায়। ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হওয়ায় হোটেল ব্যবসায়ীরা নতুন আশা দেখছেন।

• হোটেল পাড়াকে ঘিরে নানান ব্যবসা-বাণিজ্য

কলকাতার হোটেল পাড়া, এই এলাকার মধ্যে রয়েছেন সদর স্ট্রিট, মারকুইস স্ট্রিট সহ পুরো নিউ মার্কেট এলাকা। পর্যটকদের উপর নির্ভর করেই এখানে গড়ে উঠেছে নানান আবাসিক হোটেল, ওষুধের দোকান, খাবারের দোকান এবং পরিবহন সংস্থা ঘিরে ব্যবসা-বাণিজ্য। কোভিড কালে এলাকাজুড়ে তাই পুরো নিস্তব্ধতা নেমে এসেছিল। ২০২০ সালের ১৭ ই মার্চ থেকেই এই এলাকায় বাংলাদেশীদের পদচারণা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই ছবি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে গত এক সপ্তাহ ধরে। বাস ডিপোর কাউন্টারে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশি পর্যটকদের।

• হোটেল ব্যবসায়ীদের ‘মন্দের ভালো’

সোহাগ , শ্যামলী প্রভৃতি পরিবহন মিলিয়ে মোট আগে গাড়ি চলতা ৩৫ থেকে ৪০ টি। এখন চলছে প্রায় ৫ থেকে ৬ টি গাড়ি। তবে সমস্ত পরিবহন একত্রিত হয়ে অর্থাৎ যৌথভাবে গাড়ি চালাচ্ছেন। কারণ এখনও পর্যন্ত সেভাবে বাংলাদেশি পর্যটকরা ভারতে আসতে পারছেন না। তবুও হোটেল মালিকদের কথায় এই অবস্থা ‘মন্দের ভালো ‘ ।

• এই পরিস্থিতিতে কী বলছেন ব্যবসায়ীরা ?

শ্যামলী পরিবহনের সুদীপ ঘোষের মতে ” সবমিলিয়ে দুই গাড়িতে ৭০ জন যাত্রী … ভিসা দেওয়া শুরু করলে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। প্যাসেঞ্জারের আগ্রহ আছে উৎসাহ আছে.. বাংলাদেশি প্যাসেঞ্জারই ৯০% থেকে ৯৫%” ।

অপর এক ব্যবসায়ী আনন্দ সাহার মতে ” আগের থেকে একটু ভালো হয়েছে, কিভাবে বাংলাদেশ থেকে যাত্রীরা আসতে পারছেন না… যারা ম্যাক্সিমাম আসছেন ট্রিটমেন্টের জন্য, প্লেনের ভাড়া অত্যধিক হওয়ার জন্য আসতে পারছেন না । যৌথভাবে দু-একটা বাস চালাচ্ছি, যেটা একদম বন্ধ ছিল তার থেকে কিছুটা ভালো হয়েছে”।

• তেলের দাম নিয়ে চিন্তিত ব্যবসায়ীরা

কলকাতার এখানকার ব্যবসায়ীদের মুখেও চলে এলো পেট্রোল ডিজেলের অত্যাধিক দামের কথা। সোহাগ পরিবহনের ব্যবসায়ী জগবন্ধু সাহা জানান ” এখন কোন ডাইরেক্ট বাস নেই পুরোটাই কাটা সার্ভিস। যতক্ষণ বাই রোডে ট্যুরিস্ট ভিসা না দেবে, ততক্ষণ স্বাভাবিক হবে না। বহু লোক আছেন যারা আসার জন্য রেডি হয়ে আছেন…. অথচ গাড়ি বাড়াতে পারছেন না, গাড়ি বাড়ালে খরচ। তেলের যা দাম, ডিজেলের যা দাম বেড়েছে সেক্ষেত্রে আমরা কি করে গাড়ি চালাবো ? আশাকরি জানুয়ারি থেকে স্বাভাবিক হবে”।

আপডেট থাকতে ফলো করুন আমাদের ইউটিউব , ফেসবুক, ট্যুইটার

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম