Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

উলটপুরাণ! ‘তোলামূল’ পার্টি উৎখাত করতে হার্মাদ মুক্তি দিবসে বাম-স্তুতি শুভেন্দুর

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

২০১০ সালের আজকের দিন অর্থাৎ ২৪ নভেম্বর খেজুরি বিধানসভা দখলের চেষ্টা করে তৎকালীন ক্ষমতাশীল দল সিপিএম। সেই সময় তৃণমূলেই ছিলেন বর্তমান বিজেপি বিধায়ক তথা প্রধান বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। বলা ভালো, তাঁর নেতৃত্বেই সেদিন সিপিএমের পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায়। তারপর থেকেই প্রতিবছর ২৪ নভেম্বর ‘হার্মাদ মুক্তি দিবস’ পালিত হয় খেজুরিতে। এবার প্রথমবারের জন্য হার্মাদ মুক্তি দিবস পালন করল বিজেপি। পদযাত্রায় পরে আজ বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারীর ভাষণে আজ এক অন্য ইঙ্গিত পাওয়া গেল। তৃণমূল দলকে ‘তোলামূল’ পার্টি হিসেবে সম্বোধন করে বামফ্রন্টকে আহ্বান দিলেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “২০০৬ সালে ২৩৫ জন বিধায়ক ছিল বামফ্রন্টের। আজ একজনও নেই বিধানসভায়। বেশী বাড়লে তাড়াতাড়ি ধপ করে পড়তে হয়।“ একই সঙ্গে তিনি বলেন, “সিপিএম যা করেনি তাই করছে তৃণমূল। সিপিএমের সবাই খারাপ নয়। বামপন্থীরা আসুন এই ‘তোলামূল’ ‘জেহাদী’ পার্টিকে আমরা পরিষ্কার করি।“ যদিও শুভেন্দুর আহ্বানকে খারিজ করেছে বামেরা। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এই ঘটনাকে বাম-বিজেপি আঁতাত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

আজ আবার রাজ্য সরকারকে ফের একবার তুলোধনা করলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, “তৃণমূলের চুরির কোনো লেভেল নেই। প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনার টাকা থেকে কাটমানি খায়। বসিরহাটে এক উপপ্রধানের স্ত্রী ১৩৪ জনের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকিয়ে নিয়েছে।“ পাশাপাশি ত্রিপুরার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে শুভেন্দুর মত, “বিপ্লব দেব ভদ্রলোক বলেই ৫১টি আসনে ‘তোলামূল’ প্রার্থী দিয়েছে। নির্বাচনের পর বাংলায় পঞ্চান্ন জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে, তিনশো জনের বেশী মহিলার ইজ্জত লুটে নেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরায় যদি জঙ্গলরাজ হয় তাহলে বাংলারটা জঞ্জাল!

আপডেট থাকতে ফলো করুন আমাদের ইউটিউব , ফেসবুক, ট্যুইটার

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম