Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সিবিআই-ইডি থেকে বাঁচতে পিকে মারফত মোদী-প্রশস্তি মমতার! অভিযোগ সুজনের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থনে জয়লাভ করার পর দলকে সর্বভারতীয় স্তরে সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে ত্রিপুরা, অসম, গোয়াকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে রয়েছেন গোয়ায়। আবার প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরায় আসন্ন পুরভোটের তোড়জোড়ে কোনো খামতি রাখছে না রাজ্যের শাসক দল। তবে, ত্রিপুরায় প্রধান বিরোধী দল হিসেবে সিপিএম কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। স্বাভাবিকভাবেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের বাড়বাড়ন্তকে একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি বাম শিবির। আজ এ বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

সুজন চক্রবর্তীর মতে, সিপিএমই ত্রিপুরা রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল এবং সে রাজ্যে বিজেপি অবশ্যই হারবে। তিনি বলেন, “সাড়ে তিন বছর ধরে লাল ঝান্ডা ত্রিপুরাতে আক্রান্ত হয়েছে তবু জায়গা ছাড়েনি। তাই সেখানে বিজেপি বিরোধী মনোভাবকে ভাগ করতেই তৃণমূল সেখানে গিয়েছে। আরএসএসের দপ্তর থেকে তৃণমূলের কাছে আদেশ এসেছে পারলে রোজ ত্রিপুরায় যাও! বিপদে পড়লে একে অপরকে বাঁচাতে চায় আরএসএস ও তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি’র গহ্বরে বড়ো হয়েছেন। বাংলায় বিজেপিকে তিনিই এনেছেন। এ কথা সর্বজনবিদিত। বিজেপির উদ্দেশ্য এই মুহূর্তে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পূরণ করতে পারেন।“

ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যে আগামী কয়েক দশক সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে থাকবে বিজেপি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে প্রবল চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এ প্রসঙ্গে সুজন বলেন, “২০১৪ সালে পিকে রাজনীতির ব্যবসা শুরু করেছে। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে কাজ করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। এখনও তিনি মমতার সঙ্গী, পরামর্শদাতা। আসলে নরেন্দ্র মোদী যেটা চাইছেন সেটাই পিকের মুখ দিয়ে বলানোর প্রচেষ্টা। সিবিআই ইডি থেকে বাঁচতে বকলমে তাহলে একটু নরেন্দ্র মোদী প্রশস্তি করা হোক! তাতে মোদীরও লাভ, বিজেপিরও লাভ।“

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ