Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘দিল্লির নেতারা ত্রিপুরায় আসবে বিজেপিকে বাঁচাতে’, বিস্ফোরক কুণাল

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

আসন্ন পুরভোটের আগে যেন যোগদান মেলা ত্রিপুরায়। বিভিন্ন দলের ১৯৬ জন ভোটার আজ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। ত্রিপুরায় গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সুবল ভৌমিকের বাড়িতে এই যোগদান সভা আয়োজিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের মুখপত্র কুণাল ঘোষ, সুস্মিতা দেব প্রমুখ। প্রতিবেশী রাজ্যে পুরভোটের আগে ক্রমেই নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে বাংলার শাসক দল। যোগদানের পর কুণাল ঘোষ কার্যত ত্রিপুরা বিজেপিকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরার বুকে অস্তিত্ব জানা দিচ্ছে তৃণমূল। যোগ্যতম প্রার্থীকে সামনে রেখে ৫১টি আসনেই লড়বে তৃণমূল। বিজেপির পা কাঁপছে। ত্রিপুরার নেতাদের হিম্মত নেই মোকাবিলা করার। সামান্য পুরভোটের আগে দিল্লির নেতাদের পায়ে পড়তে হবে।

দিল্লি থেকে কয়েকজন নেতাদের এনে এখানে ঘোরাতে হবে। ওঁদের মুরোদ নেই। ওঁরা জানে হেরে গেছে। দিল্লির নেতারা বাংলায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেও পারেননি। ত্রিপুরাতেও তাই হবে। মানুষ এবার তৃণমূলকেই ভোট দেবেন।“ অন্যদিকে, ত্রিপুরায় মসজিদের ওপর হামলা ববার খবর সামনে এসেছে। যদিও তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ত্রিপুরার শাসক দল বিজেপি বলছে, তাঁদের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার জন্য ভুয়ো ছবি ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু তৃণমূলের দাবি এ কথা সত্যি এবং তাঁরা ত্রিপুরার রাজ্যপালের কাছে সময় চেয়েছেন এ বিষয়ে কথা বলতে। তবে, রাজ্যপাল জানিয়েছেন তিনি অসুস্থ, এই মুহূর্তে দেখা করা সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে আজ কুণাল ঘোষ ত্রিপুরা সরকারকে জবাব দেন, “জঙ্গলরাজ বন্ধ করুন। পরের পর আক্রমণ হয়েছে। সমাজকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করার জন্য বিদ্বেষমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে বিজেপি।

সুস্মিতা দেব, সুবল ভৌমিকেরা প্রতিবাদে ত্রিপুরার রাজ্যপালের সময় চেয়েছে অথচ সময় দেওয়া হচ্ছে না। সরকার শুনছে না, পুলিশ শুনছে না। এটা গণতন্ত্র? রাজ্যপালকে বিরোধীদের কথা শুনতে হবে। নিজেরাই গন্ডগোল পাকিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করছে। এখানে কি বিজেপি নিজেদের এজেন্ডকে রাজভবনে বসাচ্ছে? এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।“ চলতি মাসের শেষ দিন ত্রিপুরায় আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে কারণে প্রস্তুতি এই মুহূর্তে তুঙ্গে। তৃণমূল মুখপত্র এদিন বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এলে সভা হবে। আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের দাবি করছি। বাংলায় সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেও তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। অভিষেকের সভা নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্দীপণা তৈরি হয়েছে। বিজেপি ভয় পাচ্ছে। হাস্যকর কাজ করছে।“

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ