Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

টিকরি-গাজীপুর-সিঙ্ঘু সীমান্তে ব্যারিকেড সরাল পুলিশ, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

কেন্দ্রীয় সরকারের তিনটি কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লির সমস্ত সীমান্তে কৃষকরা গত ১১ মাস ধরে লাগাতার বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে এই সময়কাল ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে রাজধানী দিল্লির সীমান্ত। এবার দেশের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে টিকরি, সিঙ্ঘু এবং গাজীপুর সীমান্ত থেকে রাস্তার উপর থাকা ব্যারিকেড সরানোর কাজ শুরু করল দিল্লি পুলিশ। রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে কংক্রিটের দেওয়াল, লোহার গজালএ। ফলে, খুব দ্রুতই যান চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠবে রাস্তাগুলি। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশিকায় জানিয়েছে, কৃষকদের কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার অধিকার আছে। কিন্তু কখনই অনির্দিষ্টকালের জন্য রাস্তা আটকে রাখতে পারেন না তাঁরা। এরপরেই গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। যেখানে ট্রাক চাপা পড়ে মারা যান ৩ মহিলা কৃষক।

তার পরেই বৃহস্পতিবার থেকে টিকরি এই ব্যারিকেড সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে গাজীপুরেও কাজ শুরু করেছে পুলিশ। আশা করা হচ্ছে, আগামী দু’তিন দিনের মধ্যেই টিকরি এবং গাজীপুর সীমান্ত অঞ্চল থেকে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে নিয়ে রাস্তা খুলে দেওয়া হবে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নির্দেশ পেয়েছি। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দিল্লি থেকে মিরাট লাইন এবং এনএইচ-৯, যা দিল্লি মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতে কৃষকদের আন্দোলনের কারণে প্রায় ১১ মাস ধরে বন্ধ ছিল, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরে দিল্লি পুলিশ সেই রাস্তাও খুলে দিয়েছে।’ সেই সঙ্গে জানা গিয়েছে, পুলিশকর্মীদের জন্য তৈরি টিনের চালাও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দিল্লি-মিরাট লেন থেকে। নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর কৃষক আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ১ ডিসেম্বর থেকে দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতে মঞ্চ বসিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার করেছিলেন কৃষকরা। এরপর দিল্লি পুলিশ লোহার ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ২৬ জানুয়ারি লালকেল্লার ঘটনার পরে, দিল্লি পুলিশ দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়েতে একটি সিমেন্টযুক্ত ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তাটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ৩০ জানুয়ারি গাজিপুর সার্ভিস লেন হয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে দিল্লি যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। যাতে আন্দোলনরত কৃষকরা আর এগিয়ে না যেতে পারেন। যদিও কৃষক আন্দোলনের নেতারা সাফ জানিয়েছেন, ব্যারিকেড সরিয়ে রাস্তা পুনরায় চালু হলেও কেন্দ্রের তিন কৃষি আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ