Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

আইপিএলে বড় অঙ্কের পারিশ্রমিকের আশায় রিটেনশন নয়, মহানিলামে উঠতে চাইছেন ক্রিকেটাররা

।। প্রথম কলকাতা ।।

দুই নতুন দলের যোগদানের পর খোলনলচে বদলে যাবে আইপিএলের। ২০২২ আইপিএলে বর্তমান ৮ দলের সঙ্গে যোগ দেবে লখনউ, আহমেদাবাদ। স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিটি দলের জন্যে সমান সুযোগের রাস্তা খুলে দিতে মহা নিলামের আয়োজন করবে বিসিসিআই। আপাতত ভারতীয় বোর্ডের তরফে সরকারীভাবে দিনক্ষণ ঘোষণা না করা হলেও সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা এইবছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে মহা নিলাম আয়োজিত হবে।

ক্রিকইনফোর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমান ৮ দলের কাছে চার ক্রিকেটারকে রিটেন করবার সুযোগ থাকছে। এই চার ক্রিকেটারদের মধ্যে দুই ভারতীয়, দুই বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে পারবেন তারা। চাইলে আনক্যাপড ক্রিকেটারদের রিটেন করতে পারে ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলি। নতুন দুটি দলের কাছে নিলামের আগেই তিনজন ক্রিকেটার নির্বাচনের সুযোগ থাকবে। তবে রিটেন না করা খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকেই এই বাছাইয়ের সুযোগ পাবে আহমেদাবাদ ও লখনউ। ২০১৩ সালের দূর্নীতির দায়ে চেন্নাই সুপার কিংস, রাজস্থান রয়্যালসের সাসপেনশানের পর ২০১৬ সালে এমন ব্যবস্থাপনা করা হয়েছিল। সেবার এই সুবিধা পেয়েছিল গুজরাত লায়ন্স ও রাইজিং পুনে সুপারজায়েন্টস।

বিসিসিআইয়ের তরফে বর্তমান ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলিকে মৌখিক ভাবে রিটেনশানের নিয়মাবলী জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের রিটেনশানের তালিকা প্রকাশ্যে এলেই বাকি ক্রিকেটাররা অকশন পুলে চলে যাবেন। সেই তালিকা থেকেই নিজেদের তিনজন করে ক্রিকেটার নির্বাচন করতে পারবে আহমেদাবাদ ও লখনউ। সম্ভবত এই তিন ক্রিকেটারদের মধ্যে এক বিদেশি, দুই ভারতীয় ক্রিকেটার থাকতে পারেন। আপাতত রিটেনড ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ সংখ্যা জানা গেলেও রিটেনশন ফি কতো হতে চলেছে তা স্পষ্ট করেনি বিসিসিআই।

বর্তমান ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলি তাদের কোনও ক্রিকেটারকে রিটেন করতে চাইলে সবার আগে সেই নির্দিষ্ট ক্রিকেটারের মতামত নিতে হবে। নির্দিষ্ট ক্রিকেটার রিটেনশানের প্রস্তাবে রাজি না হয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা সেই নির্দিষ্ট ক্রিকেটারের কাছেই থাকবে। তবে অধিকাংশ ক্রিকেটারই বড় অঙ্কের টাকা পেতে নিলামের পথই বাছবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। দলগঠনের জন্যে প্রতিটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজি কতো টাকা ব্যবহার করতে পারবে সেই বিষয়ে কোনও তথ্য সামনে আসেনি। ২০১৮ সালের মহানিলামে প্রতিটি দলের কাছে ৮০ কোটি টাকার পার্স ছিল। এবার সেই অঙ্ক বেড়ে ৯০ কোটি টাকাও হতে পারে।