Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

সাবধান! ভূত চতুর্দশীর দিন সন্ধ্যে বেলা দুধ বিক্রি বা দান করবেন না

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

ভূত চতুর্দশী মানে সেই ছোটবেলার কথা মনে পড়া। অনেকটা ছোটবেলায় ঠাকুরমার ঝুলি বা রূপকথার গল্প শোনার মত, ভয় রাত্রে বাড়ি থেকে কেউই বার হত নয়। হালকা কুয়াশা ঘেরা নিকষ অন্ধকারে বাচ্চারা ভয় পাবে এটাই স্বাভাবিক। তার সাথে ভূত চতুর্দশী নিয়ে জড়িয়ে আছে নানান ভৌতিক গল্প।

যদিও সব কিছুই নির্ভর করে বিশ্বাসের উপর। কারণ এর পিছনে কোন বৈজ্ঞানিক যৌক্তিকতা নেই। তবুও আমাদের সমাজে প্রচলিত নানান বিশ্বাস এবং রীতিনীতি নিয়েই আমাদের সংস্কৃতি। কথিত আছে ভূত চতুর্দশীর দিন বিশেষ কিছু কাজ একেবারেই করা যাবে না। সংসারের মঙ্গল কামনায় এই দিনটিকে কেন্দ্র করে কিছু নিয়ম মানা অবশ্যই জরুরি।

•ভূত চতুর্দশী দিন সন্ধ্যার পর কোন মতেই শ্মশান বা কবরস্থানে যাবেন না। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সব জায়গায় ভূত চতুর্দশীর রাত্রে ভূতেদের আস্তানা হয়ে ওঠে। এই বিশেষ স্থানগুলিতে গেলে নেগেটিভ শক্তি বাড়িতেও প্রবেশ করতে পারে।

•কালীপুজোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ভূত চতুর্দশী আর ধনতেরাস। ধনতেরাস মানেই মা লক্ষ্মীর সংসারে আগমন এবং তার জন্য যথাযথ আরাধনার ব্যবস্থা করা। তাই এই দিন প্রয়োজন নেই ঘরবাড়ি ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করার। অনেকে বিশ্বাস করেন এর ফলে ঘরে অধিষ্ঠিত মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন।

•ভূত চতুর্দশী দিন সন্ধ্যা বেলার পর কেউ যদি আপনার বাড়িতে এসে দুধ বা দুধ জাতীয় কোন জিনিস চান তাহলে তা প্রদান করা থেকে বিরত থাকবেন। কথিত আছে এর ফলে সংসারের নেগেটিভ শক্তি বৃদ্ধি পায়।

•ভূত চতুর্দশীর দিন অবশ্যই সারারাত বাড়ির চারিদিকে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা করুন। সন্ধ্যার পর থেকে ভোর রাত্রি পর্যন্ত কখনোই বাড়ি অন্ধকার করে রাখবেন না।

•অনেকে মনে করেন এই দিন মহিলারা চুল খুলে রাখলে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন এবং সংসারে অমঙ্গল হয়। তাই অবশ্যই এই দিন চুল বেঁধে রাখার চেষ্টা করুন।

•এইদিন রান্নাঘর থেকে শুরু করে বাড়ির সমস্ত জায়গা যাতে পরিষ্কার থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। দরকার পড়লে তার আগেরদিন সবকিছু পরিষ্কার করে রাখুন। এই কাজে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন।

ভূত চতুর্দশীর দিন নাকি বিদেহী আত্মা স্বর্গে থেকে মর্তে আগমন করেন। আবার অনেকে মনে করেন বলি রাজার ভূত অনুচররা চারিদিকে এই দিন ঘুরে বেড়ান। ভারতের গোয়া, তামিলনাড়ু, কর্নাটকে এই দিনটিকে বলা হয় নরক চতুর্দশী।

তবে যে নামে প্রচলিত হোক না কেন বিশেষ এই দিনটিকে ঘিরে ঘিরে মানুষের মনে অযৌক্তিক বিশ্বাসের দানা আজও জমাট বেঁধেছে। কেউ এই বিষয়গুলিকে সম্মান করেন, কেউ বা ভয় পান, আবার কেউবা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ