Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ককে ‘লোহাচোর’ বলে তোপ অর্জুনের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কলকারখানা বন্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন কারখানা থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ছাঁটাই নিয়ে রাজ্য সরকার তথা শাসকদলের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর কথায়, “ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানা বন্ধ হয়েছে, বিজেপি কর্মীদের ছাঁটাই করা হচ্ছে, কিন্তু তা নিয়ে সরকারের কোনো হেলদোল নেই।“

পাশাপাশি তিনি সংযোজন করেন, “তৃণমূল কংগ্রেস একসময় আমিও করেছি। কিন্তু এই প্রাইভেট কোম্পানির রাজনীতি যে এত নিম্নস্তরে চলে যাবে তা বোধহয় মানুষ আশা করেনি। একজন লোহাচোরকে জগদ্দলের বিধায়ক করা হয়েছে। এখন পুরো ব্যারাকপুরে দুর্নীতি চলছে।“ এরই মধ্যে এক্সাইড ব্যাটারি কারখানায় কয়েকজন বিজেপি শ্রমিককে জোর করে তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ অর্জুনের। তিনি বললেন, “এঁরা কি ট্রেড ইউনিয়নের নিয়মকানুন, রাজনীতি জানে না? জোর করে পুলিশের ভয় দেখিয়ে বা লোন দেওয়া হবে না বলে তাঁদের যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।“

ব্যারাকপুরের সাংসদ জানান, কারখানাগুলিতে তৈরি প্রোডাক্টের ৭০ শতাংশই কেন্দ্র সরকার কেনে। এমনকি তাঁর অভিযোগ, ব্যারাকপুরের বস্তি এলাকাতে লেড পরিশুদ্ধ করা হচ্ছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। অতি সত্ত্বর এই কাজ বন্ধ না করলে তিনি কেন্দ্রীয় শিল্প মন্ত্রীর কাছে সরাসরি অভিযোগ জানাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন। অন্যদিকে, শ্রমিকদের ৮ ঘন্টা কাজ করিয়ে কেন কম সময়ের পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে, এই মর্মেও সরব হয়েছেন অর্জুন। তিনি বলেন, “বন্ধ কারখানা থেকে সমস্ত লোহা, রড ট্রাক বোঝাই করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এই লোহাচোরদের আর কি প্রশ্ন করব!”

আগামী কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিল্পমন্ত্রীকে এই সব বিষয়ে নালিশ জানাতে চলেছেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “আমরা চাই না কোনো কারখানা বন্ধ হোক। আন্দোলন করে বন্ধ করতে আমার এক মিনিট লাগবে। আমরা আন্দোলনেরই ফসল।“ বাংলাদেশের ঘটনা নিয়েও তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন অর্জুন। তিনি বলেন, “মা-মাটি-মানুষ শুধু একটা স্লোগান। যেমন জয় বাংলা একটা বাংলাদেশের স্লোগান। অথচ বাংলাদেশের স্লোগান নিয়ে ভোটে জিতে সেখানের অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে কিছু বলছে না তৃণমূল সরকার। পশ্চিমবঙ্গে জেহাদী তৈরি করা হচ্ছে। মানুষ এর জবাব দেবে।“

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ