Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

জামাত-ই-ইসলামি সন্ত্রাসী অর্থায়ন মামলায় উপত্যকার একাধিক স্থানে অভিযান এনআইএ-র

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) বুধবার জম্মু এবং কাশ্মীরের বেশ কিছু জায়গায় তল্লাশী অভিযান শুরু করেছে। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা একটি ‍‘টেরর ফান্ডিং’ মামলায় অভিযুক্ত জামাত-ই-ইসলামি (জেইআই) সদস্যদের অবস্থানগুলি লক্ষ্য করে এদিনের অভিযান বলে জানা গিয়েছে। একই মামলায় এর আগে ৮ ও ৯ আগস্ট ৬০টির বেশি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সংস্থাটি তখন থেকে জেইআই সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আগস্টে অভিযানের পর, রাজ্যটির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি কেন্দ্র সরকারকে জম্মু এবং কাশ্মীরে ‍‘যুদ্ধ চালানোর’ অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিলেন।

তিনি জেইআই সদস্যদের লক্ষ্য করে এনআইএ-র অভিযানকে অভিহিত করেন ‍‘আত্মঘাতী গোল’ হিসাবে। মুফতি বলেন, ‍‘একটি আদর্শকে চূর্ণ করার চেয়ে ভাল ধারণা হল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা।’ এদিকে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ বলেছে যে, সন্দেহভাজনদের প্রাঙ্গণ থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক নথি এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ৪০ জন জওয়ান নিহত হওয়ার পর কেন্দ্র উপত্যকার একটি সামাজিক-রাজনৈতিক গোষ্ঠী জামাত-ই-ইসলামিকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সে সময় কেন্দ্র বলেছিল, এই সংগঠনের সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে, যার ফলে রাজ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন বাড়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে।

এনআইএ ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ সংগঠনের বিরুদ্ধে একটি মামলা নথিভুক্ত করে, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আদেশ অনুসারে, জেইআই-এর বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপকে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন অনুযায়ী সংগঠনটিকে বেআইনি ঘোষণা করে। এনআইএ-র দাবি, জেইআই দ্বারা সংগৃহীত তহবিল হিজবুল-মুজাহিদিন (এইচএম), লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনগুলিতেও পরিচালিত হচ্ছে। আর এটি পরিচালনা করছে জেইআই ক্যাডারদের সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক। সেই সঙ্গে এনআইএ দাবি করেছে, জেইআই কাশ্মীরের প্রভাবশালী যুবকদের এবং উপত্যকার নতুন সদস্যদের বিঘ্নিত-বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করছে।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ