Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

ভিজিল্যান্স কমিশনের মুখোমুখি সমীর ওয়াংখেড়ে, নেপথ্যে কোন কোন অভিযোগ ?

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

বলিউড তারকা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান মাদক মামলার ফোকাস ক্রমশ এনসিবি জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ের দিকে স্থানান্তরিত হয়েছে। আর এটা শুরু হয়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও এনসিবি নেতা নবাব মালিক নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর এই শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরার পর থেকে। এরপর প্রভাকর সেইলের হলফনামা চাপ বাড়িয়েছে ওয়াংখেড়ের উপর। যার ফলশ্রুতিতে আজ ভিজিল্যান্স কমিশনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এই দুঁদে এনসিবি অফিসারকে। এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ডিডিজি জ্ঞানেশ্বর সিংয়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ভিজিল্যান্স কমিটি আজ জিজ্ঞাসাবাদ করবে সমীরকে।

সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগগুলি রয়েছে

• নবাব মালিক মঙ্গলবার এজেন্সির একজন বেনামী কর্মচারীর লেখা একটি চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে অভিযোগ করেছেন যে সমীর ওয়াংখেড়ে ২৬টি জাল মাদক মামলায় নিরপরাধ লোককে ফাঁসিয়েছেন। সেই সঙ্গে নবাবের দাবি, ওয়াংখেড়ে দু’জন নিজস্ব ব্যক্তিকে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন ট্যাপ করতে পুণে ও ঠানেতে নিযুক্ত করেছিলেন। সেই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযানের আগেই সমীর ওয়াংখেড়ের নিয়োজিত লোক মাদক রেখে আসতেন। আর তল্লাশীতে গিয়ে সেই রেখে আসা মাদক উদ্ধার করেই নামজাদা ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতেন এই এনসিবি কর্তা।

• সোমবার নবাব মালিক দাবি করেছেন, সমীর ওয়াংখেড়ে একজন মুসলিম কিন্তু তফসিলি জাতি বিভাগের অধীনে ভারতীয় রাজস্ব পরিষেবাতে যাওয়ার জন্য জালিয়াতি করে একটি হিন্দু বর্ণের শংসাপত্র তৈরি করেছেন। মালিক জন্ম শংসাপত্রের একটি অনুলিপি টুইট করেছে, যা তিনি ওয়াংখেড়ের বলে দাবি করেছেন। নথি অনুযায়ী সমীর ওয়াংখেড়ের পিতার নাম দাউদ কে ওয়াংখেড়ে, যেখানে এনসিবি ওয়েবসাইট অনুসারে এটি জ্ঞানদেব ওয়াংখেড়ে। যদিও এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ওয়াংখেড়ে জানিয়েছেন, আসলে তাঁর মা একজন মুসলিম।

• কেপি গোসাভির দেহরক্ষী ও আরিয়ান কান মাদক মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর সেইল ঘুষ বোমা ফাটিয়ে দাবি করেছেন, শাহরুখ খানের ম্যানেজারের কাছে ২৫ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে আট কোটি টাকার অংশীদারিত্ব ছিল সমীর ওয়াংখেড়ের। এরপর এই নিয়ে ভিজিল্যান্স তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

• নবাব মালিক আরও অভিযোগ করেছেন যে, যেদিন আরিয়ান খানকে গ্রেফতার করা হয়, সেদিনই এনসিবি একই মামলায় আরও অনেককে আটক করেছিল। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতার সঙ্গে জড়িতদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এনসিবি জানিয়েছিল, তারা সেদিন প্রায় ১৪ জনকে আটক ছয়জনকে ছেড়ে দেয়।

• সেই সঙ্গে এনসিপি নেতা নবাব মালিক সমীর ওয়াংখেড়েকে তাঁর জামাই এবং অন্য দু’জনকে জানুয়ারিতে মাদক ব্যবসার মামলায় ফাঁসানো এবং তাঁদের জামিনের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার দায়ে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন যে এনসিবি ২০০ কেজি ভেষজ তামাককে ‍‘গাঁজা’ হিসাবে দেখিয়েছিল।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ