Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

বড় খবর: কলকাতা পুরসভার গাইডলাইন প্রকাশ, একনজরে দেখে নিন কী কী

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

পুজোর পর থেকে আবার নতুন করে কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। যে কারণে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রশাসনের। আজ কলকাতা পুরসভার সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। এই বৈঠকে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’

বর্তমানে কলকাতায় উপসর্গহীন করোনা রোগীর সংখ্যাই মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেই জানান ফিরহাদ হাকিম। আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কলকাতার সমস্ত বাজারে প্রবেশের জন্য মাস্ক পরিধান করা বাধ্যতামূলক। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েই জন্যই। পুলিশের তরফে বিভিন্ন বাজারে ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ লেখা পোস্টার টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্য প্রশাসক। পাশাপাশি, কোনো হকারকে যদি শহরে মাস্ক ছাড়া জিনিস বিক্রি করতে দেখা যায় তবে তাঁর ব্যবসা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে। সতর্ক করা হয়েছে বাজার কমিটিকেও।

‘মশারি বিলি’

পুরসভা সূত্রে খবর, শহরের ইস্টার্ন জোন, যেখানে বাইরের শ্রমিকরা এসে থাকেন সেখানেই ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা দিয়েছে। যে কারণে পুরসভার পক্ষ থেকে পুলিশের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার মশারি বিলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাস্তায় যারা থাকেন তাঁদের মশারি টানিয়ে ঘুমোনো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সেকেন্ডারি হেলথ সেন্টার’

পুরসভার তরফে চলতি অর্থবর্ষে পাঁচটি সেকেন্ডারি হেলথ সেন্টার তৈরি করা হবে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার চেয়ে কিছুটা বেশি পরিষেবা পাওয়া যাবে। শুধু করোনা, ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়াই নয় যে কোনো ইনফ্লুয়েঞ্জা ধরনের উপসর্গ থাকলে এখানে চিকিৎসা পাবেন সাধারণ মানুষ। চাইলে দু’দিন ভর্তিও থাকা যাবে। মোট ১০০টি বেড এখানে থাকবে। ফলে বড়ো হাসপাতালের চাপ কমবে বলে মনে করছেন মুখ্য প্রশাসক। রোগীর অবস্থা সংকটজনক হলে তাঁকে পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে খিদিরপুরে প্রথম সেকেন্ডারি হেলথ সেন্টার খোলা হবে। বাকী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য এই মুহূর্তে জমি সন্ধানের কাজ চলছে। জমি পেলে আরও চারটি অর্থাৎ মোট পাঁচটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি হবে।

‘প্রচার’

করোনার পাশাপাশি ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর জন্য সচেতনতামূলক প্রচার শুরু করা হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। পাশপাশি, কোনো এলাকায় জল বা আবর্জনা জমে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পুরসভাকে খবর দিলে তা দ্রুত সম্ভব পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান ফিরহাদ হাকিম।

মিনি কনটেইনমেন্ট জোন’

এই মুহূর্তে সমগ্র এলাকাকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা না করে যে সব ফ্ল্যাট বা বাড়িতে করনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন সেই ফ্ল্যাট বা বাড়িগুলিকে মিনি কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে অর্থাৎ নিদিষ্ট বাড়ি বা ফ্ল্যাট থেকে আক্রান্ত রোগীরা বাইরে বেরতে পারবেন না।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ